artk
বুধবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১৯ ৯:৪৮   |  ১০,মাঘ ১৪২৫
রোববার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯ ৬:৩২

ডেথ ওভারে ভয়ঙ্কর মুস্তাফিজের কাছেই হার রংপুরের

স্পোর্টস রিপোর্টার
media

টি-টোয়েন্টিতে প্রতিপক্ষকে আটকাতে ডেথ ওভারে বোলিংটা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। টি-টোয়েন্টিতে ডেথ ওভারে বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজই সবচেয় ভয়ঙ্কর বোলার। রোববার মিরপুরে মাশরাফির রংপুরের বিপক্ষে শেষ ওভারে অসাধারণ বোলিং উপহার দিয়ে দলকে জেতান তিনি। তার অসাধারণ বোলিংয়ে রংপুরকে ৫ রানে হারিয়েছে মিরাজ-মুস্তাফিজদের রাজশাহী কিংসকে।

জিততে শেষ ওভারে রংপুরের প্রয়োজন ছিল ৯ রান। রংপুরের হয়ে ক্রিজে তখন রাইলি রুশো ও ফরহাদ রেজা। কিংসের হয়ে শেষ ওভারে বোলিংয়ে আসেন মুস্তাফিজ। ওভারের প্রথম বলে ১ রান নেন রুশো। এরপর ফরহাদ রেজা স্টাইকে পেলে টানা চার বল ডট! পঞ্চম বলও ব্যাটে সাথে সংযোগ ঘটাতে পারেনি ফরহাদ। 

তবে এক রান নিয়ে স্টাইক পান রুশো। শেষ বলে রংপুরের দরকার ছিল ৭ রান। কিন্তু মুস্তাফিজের জাদুকরী বোলিংয়ে শেষ বলে মাত্র এক রানের বেশি নিতে পারেনি রংপুরের ব্যাটসম্যানরা। ফলে হার মেনে নিতে হয় মাশরাফিদের। ১৩৬ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ১৩০ রান তোলে চ্যাম্পিয়নরা। রংপুরকে হারিয়ে চার খেলায় রাজশাহীর পয়েন্ট ৪। এক ম্যাচ বেশি খেলে রংপুরের পয়েন্ট ৪।

এদিন রংপুরের হয়ে ক্রিস গেইলের সাথে ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই পেসার ব্যাট হাতে শূন্য রানেই বিদায় নেন। ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলেই কামরুল ইসলামের বলে ক্যাচ। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে গেইলের সাথে বেশ ভালোই করছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। টি-টোয়েন্টির এই স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান ১৪ বলে ২৩ রান করে রাব্বির বলে সৌম্যর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।

এরপর রংপুরের শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন মোহাম্মদ হাফিজ। ইনিংসের ১১তম ওভারে দলীয় ৮৩ রানের মাথায় মিঠুনকে ফিরিয়ে দেয়ার পর বোপারাকে ফেরান হাফিজ। মিঠুন ৩১ বলে দুই ছক্কায় ৩০ রান করে সৌম্যর তালুবন্দি হন। বোপারা ব্যক্তিগত ১ রান করে সরাসরি বোল্ড। তবে রইলি রুশো ৪৬ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থেকেও দলকে জেতাতে পারেনি। রাজশাহীর হয়ে রাব্বি ও হাফিজ দুটি করে উইকেট নেন। তবে মু্স্তাফিজ উইকেট না পেলেও চার ওভারে মাত্র ১৭ রান করে দলকে জিতিয়ে দেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান সংগ্রহ করে রাজশাহীর দলটি। শক্তিশালী রংপুরের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩৬ রানেই তিন উইকেট হারায় কিংস। রাজশাহীর অধিনায়ক মেহেদী হাসানকে শূন্য রানে ফেরান রংপুরের মাশরাফি। দলীয় ৩৩ রানের মাথায় মুমিনুলকে ফিরিয়ে দেন স্পিনার সোহাগ গাজী। সাজঘরে ফেরার আগে ১৬ বলে ১৪ রান করে তিনি। পরের ওভারে আবারও মাশরাফির আঘাত। ওয়ানডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে সৌম্য ১৮ রান করে মাশরাফির বলে ফরহাদ রেজার তালুবন্দি হন। 

চতুর্থ উইকেট জুটিতে মোহাম্মাদ হাফিজ ও জাকির হোসেন রাজশাহীর হাল ধরেন। পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডারি হাফিজ ব্যক্তিগত ২৬ রান করে দলীয় ৯০ রানের মাথায় রানআউটের শিকার। এরপর জাকির ছাড়া রাজশাহীর কোন ব্যাটসম্যান রংপুরের বোলারদের সামনে টিকতেই পারেনি। ফরহাদ রেজার জোড়া আঘাতে দ্রুতই আরও চার উইকেট হারায় তারা। 

তবে জাকির হোসেন ৩৬ বলে দুই বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন। রংপুরের পক্ষে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও ফরহাদ রেজা দুটি করে উইকেট নেন। এর আগে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসএস/এএইচকে