artk
৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

যশোরে কুইন্স হসপিটালে রোগীর মৃত্যুর পর ভাঙচুর

যশোর প্রতিনিধি | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ০৯৪১ ঘণ্টা, শুক্রবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৭৩০ ঘণ্টা, শুক্রবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮


যশোরে কুইন্স হসপিটালে রোগীর মৃত্যুর পর ভাঙচুর - জাতীয়
স্থানীয় লোকজন হাসপাতালের আসবাবপত্র ও জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে

যশোরের কুইন্স হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর পর ভাঙচুর চালানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে যশোরের প্রাণকেন্দ্র দড়াটানায় এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া নারীর নাম পিংকি (৩০)। তিনি যশোরের নাথ কমপিউটারের মালিক পার্থ প্রতীম দেবনাথ রতির স্ত্রী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহিতকুমার নাথের পুত্রবধূ।

স্বজনরা জানান, প্রথম দিকে গৃহবধূ পিংকির সন্তান হচ্ছিল না। আট বছর চিকিৎসার পর তিনি সন্তান ধারণ করেন। বৃহস্পতিবার সকালে তার প্রসব বেদনা হলে পরিবারের লোকজন তাকে দড়াটানাস্থ কুইন্স হসপিটালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি গাইনি চিকিৎসক ডা. জাকির হোসেনের তত্ত্বাবধানে ছিলেন।

দুপুরে ডা. জাকির প্রসূতির অস্ত্রোপচার করেন। পিংকি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। সন্ধ্যায় ডা. জাকির প্রসূতির জন্য ‘ওমেপ’ নামে একটি ইনজেকশন (ওমিপ্রাজল গ্রুপ) লেখেন। রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের নার্স জেসমিন ওই ইনজেকশনটি প্রসূতির শরীরে পুশ করেন। এর কিছু সময়ের মধ্যে পিংকির মৃত্যু হয়।

পিংকির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন হাসপাতালটির সপ্তম তলায় উঠে আসবাবপত্র ও জানালার গ্লাস ভাঙচুর শুরু করে। এসময় হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার-নার্সসহ কর্মচারীরা পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ হাজির হয় কুইন্স হাসপাতালে। তারা উত্তেজিত লোকজনকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

তবে ডাক্তার জাকিরের দাবি, ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী রোগীর স্বজনরা পাশের একটি ফার্মেসি থেকে ‘ওমিজিড’ নামে ইনজেকশন ক্রয় করে নিয়ে আসেন, যেটি ছিল ভেজাল। এই ‘ভেজাল’ ইনজেকশন পুশ করার কারণে প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল বাশার বলেন, “হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজিত জনতা হাসপাতালটিতে সামান্য ভাঙচুর করেছে। পুলিশ খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। রাতেই প্রসূতি পিংকির মরদেহ তার পরিবার নিজ বাড়িতে নিয়ে গেছে।”

কুইন্স হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীর কবুরের মুঠোফোনে বার বার সংযোগ দেয়ার চেষ্টা করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত