artk
সোমবার, জানুয়ারি ২১, ২০১৯ ১১:৩৪   |  ৮,মাঘ ১৪২৫
বুধবার, জানুয়ারি ৯, ২০১৯ ৭:৩২

২৪তম বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি

স্টাফ রিপোর্টার
media

মাসব্যাপী ২৪তম এ মেলা চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অন্যান্য বছরের মতো এবারেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছে। ইতোমধ্যে মেলার প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। মেলায় কোন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে না। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে ৩০ ও ২০ টাকা। 

অধিক মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশজ কাঁচামাল নির্ভর রপ্তানি পণ্য উৎপাদনে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। 

বুধবার বিকেলে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশের মাঠে আয়োজিত বাণিজ্য মেলার প্রধান গেটে ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।  

মাসব্যাপী ২৪তম এ মেলা চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অন্যান্য বছরের মতো এবারেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছে। ইতোমধ্যে মেলার প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। মেলায় কোন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে না। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে ৩০ ও ২০ টাকা। 

অনুষ্ঠানে পাটভিত্তিক বহুমুখী পণ্য, খাদ্যসহ অ্যাগ্রোপ্রসেস পণ্য, হিমায়িত চিংড়ি, আম, আলু ইত্যাদি পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে তাগিদ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। 

তিনি বলেন, এ বছর কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যকে ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করা হয়েছে। আমি মনে করি এর ফলে কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধি পাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রথমে 'বাংলাদেশ এ ক্যানভাস অব প্রমিজ' নামে গত ১০ বছরের উন্নয়নের ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিজুল ইসলাম। এছাড়া এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, এবারের বাণিজ্য মেলাকে আরও দৃষ্টি নন্দন করতে প্রধান গেটটি মেট্রোরেলের আদলে তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন থিম থাকবে মেলাজুড়ে। মেলায় সব মিলিয়ে ৫৫০টি স্টল থাকছে। এর মধ্যে রয়েছে— নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষিত স্টল ২০টি, প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ৬০টি, প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন ৩৮টি, সাধারণ প্যাভিলিয়ন ১৮, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়ন ২৯টি, প্রিমিয়ার স্টল ৬৭টি, রেস্টুরেন্ট তিনটি, সংরক্ষিত প্যাভিলিয়ন ৯টি, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন ৬টি, বিদেশি প্যাভিলিয়ন ২৬টি, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন ৯টি, বিদেশি প্রিমিয়ার স্টল ১৩টি, সাধারণ স্টল ২০১টি ও ফুড স্টল ২২টি।

বাংলাদেশ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের ব্যবসা- প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, চীন, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, মরিশাস, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ, রাশিয়া, আমেরিকা, জার্মানি, সোয়াজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও হংকং।

এবারের মেলায় বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন। থাকছে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যমেরা। মেলার দুই প্রান্তে সুন্দরবনের আদলে ইকো পার্ক করা হয়েছে। থাকছে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার, যার মাধ্যমে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট স্টল ও প্যাভিলিয়ন অতি সহজে খুঁজে বের করতে পারেন।

মেলায় থাকছে মা ও শিশু কেন্দ্র, শিশুপার্ক, ই-পার্ক ও পর্যাপ্ত এটিএম বুথ, তৈরি পোশাক পণ্য, হোমটেক্স, ফেব্রিকস পণ্য, হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহস্থালি ও উপহারসামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। থাকছে তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টিক পলিমার পণ্য, কসমেটিকস হারবাল ও প্রসাধনী সামগ্রী, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি, নির্মাণ সামগ্রী ও ফার্নিচার সামগ্রী।

 

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএজেড/এএইচকে