artk
সোমবার, জানুয়ারি ২১, ২০১৯ ১১:৪৬   |  ৮,মাঘ ১৪২৫
বুধবার, জানুয়ারি ৯, ২০১৯ ৫:০৪

জামায়াতের বিচারের জন্য আবারও আইন সংশোধনের উদ্যোগ

স্টাফ রিপোর্টার
media

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক: ফাইল ফটো

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলহত্যার পেছনে যারা ছিলেন, তাদের বিচারে কমিশন গঠন করা হবে। যে কেউ অন্যায় করলে বা অন্যায়ের সাথে জড়িত থাকলে তার বিচার বাংলাদেশে হবেই। জামায়াতের বিচারের ব্যাপারে আইন প্রণয়ন করে দিয়েছি। এখন আমাদের দায়িত্ব এটার শেষ দেখা।’ 

যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন আবারও সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। 

দ্বিতীয় মেয়াদে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর বুধবার দুপুরে আনিসুল হক আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলহত্যার পেছনে যারা ছিলেন, তাদের বিচারে কমিশন গঠন করা হবে। যে কেউ অন্যায় করলে বা অন্যায়ের সাথে জড়িত থাকলে তার বিচার বাংলাদেশে হবেই। জামায়াতের বিচারের ব্যাপারে আইন প্রণয়ন করে দিয়েছি। এখন আমাদের দায়িত্ব এটার শেষ দেখা।’ 

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৩ সালে যে আইন করা হয়েছিল সেটা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যারা মানবতাবিরোধী ব্যক্তি তাদের বিচার করার জন্য। তখন সেই আইনটাতে দল হিসেবে জামায়াতের বিচার করার জন্য করা হয়নি। তবে ১৯৭২ সালে যখন সংবিধান প্রণয়ন করা হয় তখন জামায়াতকে 'ব্যান্ড' (বাতিল) করা হয়েছিল। সে কারণে দাবি উঠেছিল।’

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘তিনটি রায়ে দেখা গেছে যে জামায়াত দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধে জড়িত। তাদের বিচারের জন্য দাবি উঠেছে সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম যে বিদ্যমান আইনে বিচার করা যায় না তাই সংশোধন প্রয়োজন। গত মেয়াদে আমরা সংশোধনে হাত দেই। আমরা কিছু সংশোধন করে আইন বিভাগে পাঠাই। পরে কিছু আইনগত শব্দ সংশোধন করে পাঠানো হয়, আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেলেই মন্ত্রিসভায় ওঠানো হবে। এরপর পাস করা হবে।’

এর আগে বিভিন্ন সময়ে তিনি বলেছিলেন, অপরাধী সংগঠনের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইনের সংশোধনীর খসড়া শিগগিরই মন্ত্রিসভায় উঠবে। শেষ পর্যন্ত সেটা আর মন্ত্রিসভায় ওঠেনি। ফলে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সংগঠনের বিচারকাজও শুরু করা যায়নি।