artk
৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

পরীক্ষায় পাশ
আমি যা স্বপ্ন দেখি, তাই বিশ্বাস করি: আশরাফুল

স্পোর্টস রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৮৫৬ ঘণ্টা, বুধবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৮৫৮ ঘণ্টা, বুধবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮


আমি যা স্বপ্ন দেখি, তাই বিশ্বাস করি: আশরাফুল - খেলা

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) দিয়ে শুরু হচ্ছে ঘরোয়া মৌসুম। এবারও প্রথম ঘরোয়া ক্রিকেটেও ফিটনেস পরীক্ষার প্রচলন শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বুধবার মিরপুরে ফিটনেসের পরীক্ষা দিয়েছেন ঢাকা মেট্রো ও ঢাকা বিভাগের ক্রিকেটাররা। যেখানে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

ঢাকা মেট্রোর ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১.৪ পয়েন্ট তুলেছেন আশরাফুলই। ২০ মিটারের শাটল রানিংয়ের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয় বিপ টেস্টের ফলাফল। ফিটনেসে আশরাফুলের উন্নতি দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রেনার। গত মাসেই সব ধরণের ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছেন। ফিটনেস আর পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে জাতীয় দলে ফেরার অপেক্ষায় থাকতে তিনি।

ফিটনেসে উন্নতির জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই আশরাফুল ডায়েট করছেন। ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমিয়েছেন। তিনি মনে করেন খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, নিয়মিত অনুশীলন ও মানসিক ‍দৃঢ়তার কারণেই বিপ টেস্টে এই উন্নতি।

আশরাফুল বলেন, “গত তিন মাস ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, ন্যাশনাল লিগে প্রথম ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ফিট থাকতে চেয়েছিলাম। আমার ফিটনেস লেভেলটা যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মানের হয় সেটাই চেয়েছিলাম। ১৩ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছি, অধিনায়কত্বও করেছি। আমি জানি আসলে কোন লেভেলে যেতে হয়। সেজন্য মানসিকভাবে আপনাকে অনেক শক্তিশালী হতে হয়, শারীরিক ট্রেনিংও করতে হয়। এই বিপ টেস্টে ১১.৪ পাওয়া বা এর জন্য গত আড়াই মাস ট্রেনিং করেছি। সেটা আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “সত্যি বলতে গেলে, গত আড়াই মাসে ভাতের পরিমাণ খুবই কম করে খেয়েছি, একদম খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি বলতে পারেন। ডায়েট তো অবশ্যই আছে। সাথে ট্রেনিং করছি। শুধু ডায়েট করলেই হবে, এটা মনে করি না। ফিটনেস যদি কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নিতে হয় তাহলে আমাকে সেই লেভেলে ট্রেনিং করতে হবে। জিম, রানিংয়ের সাথে ভাতের পরিমাণ কমিয়ে এনেছি। সবজি বা অন্যান্য জিনিস খাচ্ছি, এটা সত্যি আমি খুবই খাদ্যরসিক মানুষ। খাওয়া পছন্দ করি, কিন্তু এখন আসলে খাওয়াটা বন্ধ করে দিয়েছি।”

ঢাকা মেট্রোর আরও দুই ক্রিকেটার ১১.৪ পয়েন্ট অর্জন করেছেন। তারা হলেন, তরুণ দুই ক্রিকেটার জাকির হাসান ও সৈকত আলী। নিজের ফিটনেস নিয়ে আশরাফুল বলেন, “শুধু এবার না, ছোটবেলা থেকেই আমার ফিটনেস সেরা পাঁচে থাকত, বাংলাদেশ দলে যখন ছিলাম। মানসিকভাবে শক্ত হলে এটা সম্ভব। ফিজিক্যাল কাজও করতে হবে এর জন্য। কাজও করেছি এবং মানসিকভাবে শক্তও ছিলাম। আমি যে স্বপ্নটা দেখেছি, সেটা বিশ্বাস করেছি। তখনই সব সম্ভব হয়।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসএস/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য