artk
৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, রোববার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং
বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৪৯                    

শিরোনাম

অনশনে বিএনপি নেতাদের হুঁশিয়ারি
খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৪৩০ ঘণ্টা, বুধবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৬২২ ঘণ্টা, বুধবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮


খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না - রাজনীতি

খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির নেতারা।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত প্রতীকী অনশনে তারা এ কথা বলেন।

অনশনে নেতৃবৃন্দ বলেন, “বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার ‘মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রেখেছে, আন্দোলনের মাধ্যমেই তাঁকে মুক্ত করতে হবে।”

বিএনপি ছাড়াও ২০ দলীয় জোটের নেতারা অনশনে সংহতি প্রকাশ করেন।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টার কিছু পরে শেষ হয় দুই ঘণ্টার পূর্বঘোষিত এই অনশন কর্মসূচি। রাজধানী ছাড়াও সারা দেশে এই ধরনের কর্মসূচি পালিত হয়। তবে কোথাও কোথাও পুলিশি বাধার খবরও পাওয়া গেছে।

রাজধানীতে অনশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। তিনি কারাগারে অসুস্থ, তাকে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি যেহেতু কারাগারে আছেন, তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব।”

চিকিৎসক দল বারবার পরামর্শ দেয়ার পরও সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ এই বিএনপি নেতা।

মোশাররফ বলেন, “সরকার আবার ষড়যন্ত্র করছে ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন করতে। কিন্তু আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশে আর ৫ জানুয়ারি মার্কা কোনো ভোটারবিহীন নির্বাচন হতে দেবো না। তাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে, সেনা মোতায়েন করতে হবে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, “সরকার চায় না খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পাক। তাই আইনি মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। সবাই প্রস্তুতি নেন, আমাদের হাতে মাসখানেক সময় আছে। এবার যেন আন্দোলন কর্মসূচি সফল না করে কেউ ঘরে ফিরে না যায়।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “সরকার আইনের দোহাই দিয়ে খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মারার ষড়যন্ত্র করছে। আমরা এই আদালতের রায় মানি না, তাকে মুক্তি দিতে হবে। তিনি গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পরও তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। উল্টো কারাগারে আদালত স্থাপন করে তাকে সাজা দেয়ার চক্রান্ত করছে।”

বিএনপির এই নেতা বলেন, “খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। এ ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না।”

এই অনশনে আরো উপস্থিত ছিলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মইন খান, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, নিজানুর রহমান মিনু, আতাউর রহমান ঢালী, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ইমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদিকা শিরিন সুলতানা, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমদ খান, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ।

এ ছাড়া ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার, কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুল হালিম, লেবার পার্টির একাংশের সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, কল্যাণ পার্টির সহসভাপতি শহীদুর রহমান তামান্না, ন্যাপের চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, জাগপার সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান। এ ছাড়া প্রতীকী অনশনে একাত্মতা প্রকাশ করেন ঢাবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য