artk
৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

বিএনপির মানববন্ধনের সময় আটক ৪৯ জন রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২২২৫ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১০০২ ঘণ্টা, বুধবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮


বিএনপির মানববন্ধনের সময় আটক ৪৯ জন রিমান্ডে - কোর্ট-কাচারি

সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বিএনপির মানববন্ধনের সময় আটক ৪৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার আটকদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে তুলে রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন আদালত।

আদালত সূত্র বলছে, এর মধ্যে ১৭ জনকে আদালতে হাজির করে দশ দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে রমনা থানা-পুলিশ। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তাদের প্রত্যেকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এছাড়া মতিঝিল, পল্টন, শাহজাহানপুর ,রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারা থানার পৃথক ছয়টি মামলায় গ্রেপ্তার আরও ৩২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

আর শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেপ্তার ২২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জনকে ৫ দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হয়। আগামী বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ঠিক করেছেন আদালত। আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।

আসামিপক্ষের কয়েকজন আইনজীবী জানান, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীর পাশাপাশি পুলিশ নিরীহ সাধারণ মানুষকেও গ্রেপ্তার করে আদালতে তুলেছে।

তিতুমীর কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বির ছাত্র শরীফুল ইসলাম। তাকে রমনা থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, শরীফুল ছাত্রদল কর্মী। তাঁর আইনজীবী জয়নাল আবেদিন আদালতকে বলেছেন, রাজনীতির সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তার পরীক্ষা চলছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার দিন রয়েছে। শরীফুলের পক্ষে আদালতে পরীক্ষার রুটিন জমা দেওয়া হয়েছে।

ভাটারা থানার মামলায় গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমানের আইনজীবী আবুল কাশেম আদালতকে বলেন, তার মক্কেল কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না। হয়রানি করার জন্য পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার সুমনের মা হাসিনা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, তার ছেলে কাঁচামালের ব্যবসা করেন। অথচ রাস্তা থেকে পুলিশ তাঁকে ধরে নিয়ে আসল।

আজ আদালতে দেখা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুপুরের দিকে প্রিজন ভ্যানে করে আদালতের হাজতখানায় আনে পুলিশ। যাদের রিমান্ড চাওয়া হয় তাদেরকে হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হয়। রিমান্ড শুনানি শেষে যখন ফের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের স্বজনদের কেউ কেউ হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দলটির মানববন্ধন চলাকালে ও শেষে ধর কাপড় করে পুলিশ। সোমবার দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের জানান, ঢাকার মৎস্য ভবন, কাকরাইল মোড়, পল্টন মোড়, সেগুনবাগিচা ও হাইকোর্ট মোড় থেকে পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। গাজীপুরসহ বেশ কিছু জায়গায় বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচিতে পুলিশ অতর্কিতে হামলা ও ‘গুলি’ চালিয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত