artk
১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম

রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৮২৭ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৮২৭ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮


রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ - অর্থনীতি

রপ্তানি আয় চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতে প্রায় ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও আগস্টে তা দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশ। মঙ্গলবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুই মাসের (জুলাই-আগস্ট) মাসে রপ্তানি আয়ের টার্গেট ছিল ৬৫৮ কোটি ২০ লাখ ডলার। আয় হয়েছে ৬৭৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রা থেকে আয় বেশি হয়েছে ৩.২৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ৬৬২ কোটি ডলার। এই দুই মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২.৫১ শতাংশ। এই অর্থবছর শুধু জুলাই মাসে প্রবৃদ্ধি হয় ১৯.৮৮ শতাংশ। আগস্টে রপ্তানি থেকে আয় হয় ৩২১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১.৭৪ শতাংশ কম। আগের বছর আগস্ট মাসে রপ্তানি হয়েছিল ৩৬৪ কোটি ডলারের পণ্য।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক থেকে। গত দুই মাসে পোশাকখাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৫৭৩ কোটি ৫১ লাখ ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৮২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২৯১ কোটি ২৮ লাখ ডলারের। যা আগের বছরের তুলনায় ১.৫৩ শতাংশ বেশি। ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২৮২ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলারের। যা আগের বছরের তুলনায় ৬.২৮ শতাংশ বেশি।

এছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি কমেই চলেছে। গত দুই মাসে এ পণ্য বিক্রি করে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ১৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। যা আগের বছরের চেয়ে ২৬.২৬ শতাংশ কম। আর শুধু চামড়া রপ্তানির অবস্থা আরো করুণ। গত দুই মাসে আয় হয়েছে ২ কোটি ২৪ লাখ ডলার। অথচ গত বছর এই সময়ে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৩২ লাখ ডলার। এই পণ্য থেকে আয় কমেছে ৩২.৪২ শতাংশ।

রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি বিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, “জুলাইয়ে অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি হওয়ার কারণ আগের মাস রোজার ঈদের ছুটি (ঈদুল ফিতর) থাকায় সেই সময়ে রপ্তানি কম হয়েছিল, যা জুলাই মাসে নিয়মিত রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত হয়। এই কারনে জুলাইয়ে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ২০ শতাংশ। ঠিক একই কারণে (ঈদুল আযহা) আগস্টে রপ্তানি কমে গেছে। এই মাসের শেষ প্রায় ১২ দিন কারখানা বন্ধ ছিল। চলতি মাস সেপ্টেম্বরের শুরুতে কয়েকদিন কারখানা বন্ধ ছিল। এখন অক্টোবরের রপ্তানি আয় দেখেই আসলে বোঝা যাবে প্রকৃত বিষয়।”

আগের অর্থবছরের ধীর প্রবৃদ্ধির কারণে চলতি অর্থবছর রক্ষণশীল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি ৮১ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএজেড/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য