artk
৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বুধবার ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৮:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম

মানুষের আয়ু ১৫০ বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব!

বিচিত্র ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১১২০ ঘণ্টা, সোমবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৫৪৩ ঘণ্টা, সোমবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮


মানুষের আয়ু ১৫০ বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব! - বিচিত্র

সুন্দর এই পৃথিবীতে কে না বাঁচতে চায়। বাঁচার জন্য মানুষ কতকিছুই না করছে। কিন্তু ওই সত্তর বা আশিতেই সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আশার কথা হচ্ছে মানুষের গড় আয়ু দেড়শ বছর যদি হয়? অবাক হচ্ছেন? কিন্তু এমনই আশার বাণী শোনাচ্ছেন একজন বিজ্ঞানী।

নতুন এক চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করতে যাচ্ছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড সিনক্লেয়ার ও তার গবেষক দল। গবেষকদের দাবি, এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগে মানুষের আয়ু ১৫০ বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। ২০২০ সালের মধ্যেই দেহের বাদ পড়া অঙ্গের জায়গায় নতুন করে সেই অঙ্গটিকে সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।

ড. সিনক্লেয়ার বলেন, এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে মানবদেহের হারানো কোনো অঙ্গও নতুন করে সৃষ্টি করা যাবে। এমনকি প্যারালাইসিসের রোগীরাও পুনরায় হাটাচলা করতে পারবেন।

তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যেই ওষুধটি বাজারে ছাড়া সম্ভব হবে। যার দাম হবে দিনে এক কাপ কফির দামের সমান। তবে এ নিয়ে এখনো অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাকি আছে।

নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতির পেছনের বিজ্ঞানটি হলো নিকোটিনামাইড অ্যাডেনিন ডিনিউক্লিওটাইড (এনএডি) নামের একটি মলকিউল বা অণু-জীবকোষ। এনএডি মূলত মানবদেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আগামী দুই বছরের মধ্যেই মানুষের ওপর এই চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হবে। এই রাসায়নিকটি ইতোমধ্যেই পারকিনসনস রোগ এবং অত্যাধিক ক্লান্তির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়েছে।

এই একই গবেষক এর আগে প্রমাণ করেছিলেন যে, ভিটামিন বি থেকে তৈরি বড়ি খাইয়ে ইঁদুরের বয়স ১০ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব। হেরাল্ড সান এর প্রতিবেদন মতে, তারা এও দাবি করেছিলেন যে ওই বড়ি খেয়ে বয়সজনিত চুলপড়াও কমানো সম্ভব।

অধ্যাপক সিনক্লেয়ার নিজেও নিজের মলকিউল ব্যাবহার করে বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধের ওষুধ সেবন করেছেন। এর ফলে তার নিজের দৈহিক বয়স ২৪ বছর কমে এসেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

তার ৭৯ বছর বয়সী বাবাও গত দেড় বছর ধরে এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের পর পুনরায় তারুণ্য ফিরে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন অধ্যাপক সিনক্লেয়ার।

তিনি দাবি করেছেন, এমনকি তার এক শ্যালিকাও একই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে মেনোপোজ শুরু হওয়ার পরও পুনরায় সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা অর্জন করেছেন। ৪০ বছর বয়সেই তার ওই শ্যালিকার মেনোপোজের লক্ষণগুলো শুরু হয়ে গিয়েছিল। সূত্র: ডেইলি মেইল

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য