artk
৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বুধবার ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ফাঁকা রাজধনীতে নেই মানুষের কোলাহল

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২১৪৬ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ২১ আগস্ট ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১১৪০ ঘণ্টা, বুধবার ২২ আগস্ট ২০১৮


ফাঁকা রাজধনীতে নেই মানুষের কোলাহল - জাতীয়

পরিবার পরিজন নিয়ে রাজধানী ছেড়েছে বিপুলসংখ্যক মানুষ। আজও অনেকে যাচ্ছে নাড়ির টানে। এতে রাজপথে সেই চিরচেনা যানজট নেই, নেই মানুষের কোলাহল বা হকারদের হাঁকডাক। রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, গণপরিবহনের সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে। কমে গেছে রিকশার সংখ্যাও।

ঢাকার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের চিত্র ছিল গতানুগতিক। তবে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা কম বলে যানজট ছিল না। সন্ধ্যার পরও মতিঝিলের যেসব রাস্তা থাকে বাস-রিকশা আর হকারদের দখলে। দুপুরের দিকে সেখানের চিত্র ছিল কিছুটা ফাঁকা। যানবাহনের সঙ্গে কমে গেছে হকারের সংখ্যাও।

জানা গেছে, ঘরমুখো মানুষদের বাড়ি ফেরার হিড়িক পড়ে গেছে গত বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই। চাকরিজীবীরা আগেই পরিবারের সদস্যদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে। ফলে মহাসড়ক ফাঁকা, নেই গাড়ির স্রোত। এই ধারা অব্যাহত ছিল সোমবার দিবাগত রাত পর্যন্ত। কারণ সোমবার ঈদের আগে শেষ কার্য দিবস।

রোববার রেল, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে নামে ঘরমুখো মানুষের ঢল। রাজধানীর কমলাপুর এবং বিমানবন্দর রেলস্টেশন ঘরমুখো মানুষের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই উঠেছেন ট্রেনের ছাদে। এছাড়া প্রতিটি ট্রেনই ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা দেরিতে স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, মানুষের বাড়তি চাপের কারণে ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হচ্ছে।

ভোর থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের কাঁচপুর থেকে মেঘনা ব্রিজের ওপার পর্যন্ত ছিল দীর্ঘ যানজট। গতকাল সকাল থেকেও গাড়ি চলছে ধীর গতিতে। গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজট দেখা গেছে। এছাড়া মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের উভয়পারে যানবাহন যানজটের খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, ঈদে যাত্রীদের ঘরে ফেরা উপলক্ষে বাস-ট্রেন ও লঞ্চঘাটে নিরাপত্তার দায়িত্বে র‌্যাব-পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত রাজধানীর কোথাও কোনো অপ্রতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত