artk
৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, রোববার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং
বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৪৯                    

শিরোনাম

পশু নিয়ে সঙ্কটের কোনো আশঙ্কা নেই: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৫৪১ ঘণ্টা, রোববার ১৯ আগস্ট ২০১৮


পশু নিয়ে সঙ্কটের কোনো আশঙ্কা নেই: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী - জাতীয়

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, “কোরবানির জন্য পশু নিয়ে সঙ্কটের কোনো আশঙ্কা নেই। দেশে পর্যাপ্ত সংখ্যক পশু মজুদ রয়েছে। শেষ মুহূর্তে কিছু পশু উদ্বৃত্ত থেকে যাবে।”

রোববার মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, “এই ঈদের মূল বিষয়টিই হচ্ছে কোরবানি করা। মানুষের আর্থিক সামর্থ্য বেড়েছে, তাই শরিয়াহ অনুযায়ী কোরবানি দেয়া মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে। সেই হিসেবে যে পরিমাণ পশু অর্থাৎ গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ দরকার হবে সেগুলো আমাদের এখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে।”

তিনি বলেন, “এবার দেশি গরুতেই কোরবানির ঈদ সম্পন্ন হবে বলে আমরা মনে করছি। আমাদের পশুর স্টক (মজুদ) যথেষ্ট রয়েছে। কোনো ঘাটতি নেই।”

গত বছর এক কোটি ৪ লাখ লাখের মতো পশু কোরবানি হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “এবার অনেক লোকের আর্থিক সংগতি বেড়েছে, এ ছাড়া সামনে নির্বাচন। নির্বাচনের প্রার্থীরা অনেক সময় একটির স্থানে দুটি পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। তাই সব মিলিয়ে আমরা মনে করছি- এবার পশুর চাহিদা এক কোটি ১৫ লাখ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের হিসাব অনুযায়ী পশুর মজুদ রয়েছে এক কোটি ১৬ লাখের মতো। এ ছাড়া গৃহস্থালী পর্যায়ে অনেকের একটি-দুটি করে গরু রয়েছে। সেগুলোসহ কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা এক কোটি ২৫ লাখের কম নয়। সেখানে এক কোটি ১৫ লাখ চাহিদা হলে পশু উদ্বৃত্ত থেকে যাবে।”

বাজারে ভারত-মিয়ানমারের গরু দেখা যাচ্ছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নারায়ণ চন্দ্র বলেন, “সীমান্ত দিয়ে পাশের দেশ থেকে কিছু গরু আসতে পারে। তবে তা অনেক কম, হিসাবের মধ্যে পড়ে না। অন্য দেশ থেকে গরু আনতে আমরা নিরুৎসাহিত করছি। এ ছাড়া মানুষের ঝোঁকও কিন্তু দেশি গরুর প্রতি।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “পশু উৎপাদনের আমাদের যে ধারা শুরু হয়েছে, আমরা চাচ্ছি সেটা সাসটেইনেবল (টেকসই) হোক। আমাদের খামার ব্যবস্থা ও গরু-মহিষ পালনের দিকটা অনেক বেশি উন্নত হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারও খামারিদের বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করেছে। অনেক শিক্ষিত বেকাররা এখন সুন্দর সুন্দর খামার তৈরি করেছে। আমাদের দেশে এখন কয়েক লাখ খামার হয়েছে। সেখানে অত্যন্ত যত্নসহকারে স্বাস্থ্যকরভাবে গবাদিপশু লালন-পালন করা হচ্ছে।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত