artk
৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, রোববার ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৫:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম

শিশু রাইফার মৃত্যু: জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৮১৫ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৪ আগস্ট ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১০০৪ ঘণ্টা, বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮


শিশু রাইফার মৃত্যু: জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয় - কোর্ট-কাচারি

চট্টগ্রামের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালের চিকিৎসকদের অবহেলায় শিশু রাইফা খানের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালসহ জড়িত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছেন হাই কোর্ট।

একই সঙ্গে রাইফার পরিবারকে কেন যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

রাইফার বাবা সাংবাদিক মোহাম্মদ রুবেল খানের করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল), বাংলাদেশ মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি, ম্যাক্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট তিন চিকিৎসককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ৯ আগস্ট রিট আবেদন দায়ের করেন সাংবাদিক রুবেল খান। এ রিট আবেদনের ওপর আজ শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ এনাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

গলার ব্যথাজনিত কারণে ভর্তি হওয়ার পর গত ২৯ মে ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় দুই বছর চার মাস বয়সী শিশু রাইফা। চিকিৎসকদের অবহেলায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ঘটনার তদন্তে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠিত হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ।

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশুটির রোগ নির্ণয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ প্রয়োগ যথাযথ থাকলেও অভিযুক্ত তিন চিকিৎসক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বিধান রায় চৌধুরী, ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেব কর্তব্যে অবহেলা করেছেন।

আরো বলা হয়, রাইফার যখন খিঁচুনি হয়, তখন তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়ার মতো অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্স ছিলেন না। এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া প্রতিবেদনে ম্যাক্স হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও ত্রুটি নিয়ে ১১টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য