artk
৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ১১:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বৃষ্টি ও জোয়ারে পানির নিচে ঝালকাঠির রাস্তাঘাট

ঝালকাঠি প্রতিনিধি | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ০৮৫২ ঘণ্টা, শুক্রবার ১০ আগস্ট ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ০৮৫৩ ঘণ্টা, শুক্রবার ১০ আগস্ট ২০১৮


বৃষ্টি ও জোয়ারে পানির নিচে ঝালকাঠির রাস্তাঘাট - জাতীয়
ছবি: প্রতিনিধি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের টাকবাজার থেকে কুলকাঠি ইউনিয়নের কাপড়কাঠি গ্রাম পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। পাঁচ বছর আগে সড়কটির এক কিলোমিটার পাকা হলেও বাকি দেড় কিলোমিটার এখনো পাকা হয়নি।

এ দেড় কিলোমিটার সড়কের অধিকাংশ স্থান বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় পাঁচ গ্রামের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীসহ প্রায় সাত হাজার বাসিন্দাকে পানিবন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে। এছাড়াও কাপড়কাঠি, সৈয়র ও মাদারঘোনা গ্রামের বাসিন্দারা এ সড়ক ব্যবহার করে যাতায়াত করেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমে সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। কোমড় সমান পানির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করতে দেখা যায় স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

কুলকাঠি গ্রামের নূরুল আলম বলেন, ‘‘মাটির সড়কটি দিয়ে শুকনো মৌসুমে যাতায়াত করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে শরীর ও জামা কাপড় শুকনো রেখে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা যায় না। স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলইজিইডি) এ মাটির সড়কটি প্রায় পাঁচ বছর আগে পাকা করার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। কিন্তু ঠিকাদার সময়মতো সব কাজ না করায় দরপত্র বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। সেই থেকে এভাবেই পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি।’’

কাপড়কাঠি গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মোশারেফ হোসেন বলেন, ‘‘রাস্তার অবস্থা আর কি কমু। পোলাপান নৌকা পাইলে স্কুল-কলেজে যায়, না পাইলে যায় না। কাদা ও পানির মধ্য দিয়া যাতায়াত করতে হয়। বৃষ্টি ও জোয়ারে পানি উঠে রাস্তা ডুইব্যা যায়। কত রাস্তা-ঘাট করছে সরকার, আমাগো রাস্তা কবে হইবে।’’

সৈয়র গ্রামের কলেজ ছাত্রী মারুফা আক্তার বলেন, ‘‘এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কলেজে যেতে হয়। স্থানীয় তালতলা বাজারে যেতেও সড়কটির বিকল্প নেই। সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে নৌকায় করে পার হতে হয়।’’

কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এইচএম আখতারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, ‘‘সড়কটি নির্মাণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।’’

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক বলেন, ‘‘সড়কের বেহাল অবস্থা আমাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত