artk
১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ২:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বিএনপি এখন নৌকার ছেঁড়া পালের মতো: কাদের

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২০৩০ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ০৯ আগস্ট ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ২০৩১ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ০৯ আগস্ট ২০১৮


বিএনপি এখন নৌকার ছেঁড়া পালের মতো: কাদের - রাজনীতি
ওবায়দুল কাদের: ফাইল ফটো

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি এখন পাল ছেঁড়া নৌকার মতো হয়েছে। বিএনপি জনগণের মনের ভাষা বুঝতে পারেনি বলেই তারা এত দিন ধরে ক্ষমতার বাইরে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কেরানীগঞ্জে বিআরটিএর কার্যালয়ে নিজ মন্ত্রণায়ের নেয়া ক্রাশ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ক্রাশ কর্মসূচির আওতায় গাড়ির ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের সকল বিআরটিএ’র কার্যালয়ে এ কর্মসূচি চলছে।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সকালে ক্রাশ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাড়ির ফিটনেস লাইসেন্স ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে গুলিস্তানের সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি বেশ কয়েকটি বাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল আরোহীর ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করে দেখেন। সেতুমন্ত্রী রাজধানীতে যাতে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলতে না পারে সে জন্য কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ দেন।

এরপর তিনি বিআরটিএ’র কেরানীগঞ্জ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি অনিয়ম ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপির নেতাদের মধ্যে সমন্বয় নেই। তারা তাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারছে না।আর তাই তারা সবকিছুতে উদ্বিগ্ন থাকে।”

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ দূর হলে তারা আর রাস্তায় নামবে না জানিয়ে তিনি বলেন, “তারা বিভিন্ন ধরনের ক্ষোভ থেকে রাস্তায় আন্দোলনে নেমেছিল। তবে এ ধরনের চাপ না থাকলে সচেতনতা সৃষ্টি হয় না। এই ক্রাশ কর্মসূচি তাদের আন্দোলনেরই একটি অংশ। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়টি উপলব্ধি করতে না পারলে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।”

কাদের বলেন, “বিআরটিএর কাজে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে দেশের সকল বিভাগীয় শহরে কোরিয়ার অর্থ সহায়তায় ভেহিক্যাল ইনস্পেকশন সেন্টার—ভিআইসি গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। ২০১১ সালে ৫টি ভিআইসি সেন্টার ছিল। কিন্তু সর্ষের মধ্যে ভূত থাকায় তা বন্ধ হয়ে যায়।”

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় ভিআইসি সেন্টারগুলো চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, “কিন্তু স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয়ে একটি মহল আমাকে তা বাস্তবায়ন করার সুযোগ দেয়নি। দেশের জেলা পর্যায়ে এ সেন্টার চালু করা না গেলেও বিভাগীয় পর্যায়ে যাতে চালু করা যায় সে বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত