artk
৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, রোববার ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

অ্যালোপ্যাথির বাইরে বিকল্প পদ্ধতির চিকিৎসা

স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৪২৪ ঘণ্টা, রোববার ২৪ জুন ২০১৮


অ্যালোপ্যাথির বাইরে বিকল্প পদ্ধতির চিকিৎসা - স্বাস্থ্য-পুষ্টি

কতোটা বিজ্ঞানসম্মত, তা নিয়ে থাকতে পারে বিতর্ক। কিন্তু অ্যালোপ্যাথির বাইরেও চিকিৎসার বেশ কিছু ধারা এখনও বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। এর কয়েকটি থাকছে আপনাদের জন্য।

হোমিওপ্যাথি
বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হোমিওপ্যাথি। ১৭৯৬ সালে এর উদ্ভাবন করেন স্যামুয়েল হানেমান। রোগীকে অল্প ওষুধ দিয়ে সুস্থ করে তোলাই হোমিওপ্যাথির মূলমন্ত্র। তবে চিকিৎসক ও ওষুধ প্রস্তুতকারীরা হোমিওপ্যাথিকে নিজেদের স্বার্থের পরিপন্থী মনে করে হানেমানের বিরুদ্ধাচরণ শুরু করেন। চাপ সহ্য করতে না পেরে জার্মানি ছেড়ে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে চলে যান হানেমান। সেখানেই তিনি ১৮৪৩ সালে মারা যান।

অস্টেওপ্যাথি
এই পদ্ধতিতে হাতের মাধ্যমে শরীরের হাড় ও পেশিতে নানা ধরনের চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়। ঘাড়, কাঁধ, হাত-পা ও মেরুদণ্ডের ব্যথায় বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এই পদ্ধতি। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, অস্টেওপ্যাথদের দাবি যাই হোক, হাড় ও পেশির সাথে সম্পর্ক নেই এমন রোগ, যেমন মাইগ্রেন, পেটের সমস্যা, বিষণ্ণতা কাটিয়ে উঠতে এই পদ্ধতি কোন ভূমিকা রাখতে পারে না।

আয়ুর্বেদ
ভেষজ বা উদ্ভিদের মাধ্যমে এক ধরনের চিকিত্‍সা পদ্ধতি নাম আয়ুর্বেদ। ধারণা করা হয়, এই চিকিত্‍সা পদ্ধতি প্রায় ৫০০০ বছরের পুরনো। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আদি ধর্মগ্রন্থ বেদ-এর একটি ভাগ আয়ুর্বেদ। ভারতীয় উপমহাদেশে এখনও এই চিকিত্‍সা পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম থাকায় উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনেকে আকৃষ্ট হচ্ছে এই পদ্ধতির দিকে।

আকুপাংচার
চীনের একটি প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতি আকুপাংচার। এই পদ্ধতিতে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সুঁচ ফুটিয়ে রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়। যেকোন জটিল রোগ এই পদ্ধতিতে সারিয়ে তোলা সম্ভব বলে দাবি আকুপাংচার চিকিৎসকদের।

ফেইথ হিলিং
বিজ্ঞানীরা এটিকে কোন চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবেই মানতে নারাজ। এই পদ্ধতিতে ধর্মীয় বা অতিপ্রাকৃতিক বিশ্বাসে ভর করে রোগ সারানোর প্রতিশ্রুতি দেন চিকিৎসকরা। আধুনিক সমাজে এর প্রচলন অনেকটা উঠে গেলেও পিছিয়ে পড়া সমাজে এখনও এর বিস্তার অনেক। পানি পড়া, তাবিজ বা নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এখনও এর প্রভাব দেখা যায়। ডিডব্লিউ

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত