artk
৪ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সোমবার ১৮ জুন ২০১৮, ৯:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম

রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে ১৪ গ্রাম

রাঙ্গামাটি সংবাদদাতা | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৪১২ ঘণ্টা, বুধবার ১৩ জুন ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৪১৩ ঘণ্টা, বুধবার ১৩ জুন ২০১৮


রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে ১৪ গ্রাম - জাতীয়

তিন দিনের অবিরাম বৃষ্টিপাত ও সীমান্ত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাচালং নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির উপজেলার ১৪টি গ্রাম তলিয়ে গেছে।

গ্রামগুলো হলো-করেঙ্গাতলী, বাঘাইহাট, বঙ্গলতলী, রূপকারী, কদমতলী, তুলাবান, গুচ্ছগ্রাম, মুসলিম ব্লক, ইমাম পাড়া, মাস্টার পাড়া, গুনিয়া পাড়া, সরকার পাড়া, কলেজ পাড়া ও পুরাতন মারিষ্যা।

পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় বাঘাইছড়ির বিস্তৃণ এলাকার কৃষি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দী মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মার্কেটসহ বিভিন্ন পাকা ভবনে অবস্থান নিয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন দূর্গতদের জন্য এখনো কোন ত্রাণ তৎপরতা শুরু করতে পারেনি। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দূর্গতদের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল ও অতি বর্ষণের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি উচ্চতা বাড়তে থাকায় লংগদু, জুরাছড়ি, বরকল, বিলাইছড়ি, নানিয়ারচরের নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি ও কৃষি জমি পানিতে ডুবে গেছে।

এদিকে, নানিয়ারচর উপজেলায় পাহাড় ধসের মাটি চাপায় নিহত ১১ জনের সৎকার মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়েছে।
রাঙ্গামাটিতে তিন পর বৃষ্টি বন্ধ হওয়ায় জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আর কোথাও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। পাহাড় ধসের আশঙ্কায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নেয়া লোকজন বাড়ি ঘরে পুনরায় ফিরতে শুরু করেছে। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যোগাযোগ পুনরায় চালু হয়েছে।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ জানান, বাঘাইছড়িতে পাহাড়ি ঢলে বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে করে সেখানে বসবাসরত মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছে। তবে এই পানি হচ্ছে পাহাড়ি ঢল তাই বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেলে আস্তে আস্তে পানি কমে যাবে এবং গতকাল রাত থেকে বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। তাই যে সমস্ত এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে তা আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে এবং জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তার পরেও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

মঙ্গলবার বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছি যাতে আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ এসে খাওয়ার কোনো সমস্যা না হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য