artk
৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, রোববার ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৬:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম

‘শীতল যুদ্ধ যুগের শেষ সংঘাতের অবসান হলো’

বিদেশ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২১৩৮ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১২ জুন ২০১৮


‘শীতল যুদ্ধ যুগের শেষ সংঘাতের অবসান হলো’ - বিদেশ

ট্রাম-কিম বৈঠকের পর চুক্তি সই করায় বিষয়টিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করে স্বাগত জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। একইসঙ্গে দেশটি বলেছে, এর মধ্যে দিয়ে শীতল যুদ্ধ যুগের শেষ সংঘাতের অবসান হলো।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ১২ জুনের এই চুক্তি শীতল যুদ্ধ যুগের সর্বশেষ সংঘাতের অবসানে ঐতিহাসিকভাবে লেখা থাকবে।

তবে বিশ্লেষকরা এ চুক্তি নিয়ে এখনই আশাবাদি হতে পারছেন না। অনেক এমন কথাও বলছেন, দেশে ফেরার আগেই ট্রাম্প এ চুক্তি ভঙ্গ করেন কি না তা আগে দেখতে হবে।

সিঙ্গাপুরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে এক ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তাদের মধ্যে ‘দারুণ ভালো’ আলোচনা হয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তার গ্যারান্টির বিনিময়ে কিম জং উন পরমাণু অস্ত্র ত্যাগ করার অঙ্গীকার করেছেন।

দুই নেতার স্বাক্ষরিত দলিলে কিম কোরিয়া উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে এর পর এক নজিরবিহীন সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এমন কিছু খুঁটিনাটি প্রকাশ করেন- কাগজপত্রে যার উল্লেখ নেই।

সিঙ্গাপুরে ঐতিহাসিক একান্ত বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার নেতা 'একটি বড় ক্ষেপণাস্ত্র ইঞ্জিন পরীক্ষা ক্ষেত্র' ধ্বংস করতে রাজি হয়েছেন, এবং এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে লক্ষ্য করে সামরিক মহড়া চালানো বন্ধ করবে। তিনি এসব যুদ্ধের মহড়াকে 'ব্যয়বহুল এবং উস্কানিমূলক' বলেও বর্ণনা করেন।

কেউ কেউ অবশ্য এই মহড়া বন্ধের অঙ্গীকারকে 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড় দিয়েছে' বলে চিত্রিত করতে চাইছেন। তবে এই প্রথম ক্ষমতাসীন অবস্থায় কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং উত্তর কোরিয়ার নেতার বৈঠক হলো- যারা কিছুকাল আগেও পরস্পরের উদ্দেশ্যে অপমানকর ব্যঙ্গবিদ্রুপ ছুঁড়ে দিচ্ছিলেন।

কি ঐকমত্য হলো?
শীর্ষ বৈঠকের মূল বিষয় ছিল: পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং উত্তেজনা হ্রাস। স্বাক্ষরিত চুক্তিতে বলা হয় - দুই দেশ নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সহযোগিতা করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি দেবে।

কিম কোরিয়ান উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ রূপে পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করার জন্য তার অবিচল এবং দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

কিভাবে এটা করা হবে তা স্পষ্ট করা হয় নি বলে কোন কোন বিশ্লেষক মতামত দিয়েছেন। তারা বলছেন, মাত্র দেড় পৃষ্ঠার এই দলিলটি অস্পষ্ট এবং ‘এর ভেতরে কিছু নেই’।

তবে পরে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, পরমাণূ অস্ত্র ত্যাগের ব্যাপারটি যেন যাচাই করে দেখা যায় - তাতে কিম রাজি হয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আপাতত বলবৎ থাকবে, তবে কিম অঙ্গীকারবদ্ধ থাকলে পরে তা তুলে নেয়া হতে পারে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য