artk
শনিবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১৯ ৫:১৭   |  ৫,মাঘ ১৪২৫
মঙ্গলবার, জুন ১২, ২০১৮ ৮:৫৮

গৌরীপুরে আ.লীগের ইফতার মাহফিলে সংঘর্ষ, ভাঙচুর

 23
media

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলসহ দলের স্থানীয় ও জেলা নেতাদের উপস্থিতিতে ইফতারের আগেই এ ঘটনা ঘটে।

দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, অনুষ্ঠানের ব্যানারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিনের নাম থাকায় আওয়ামী লীগের একটি পক্ষ অনুষ্ঠানের শুরু থেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন।

সন্ধ্যায় ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক মোর্শেদুজ্জামান সেলিম বক্তব্য শেষ করার পর সাবেক যুবলীগ নেতা নিজাম উদ্দিন বাবুল অনুষ্ঠানের ব্যানারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে হেলাল উদ্দিনের নাম থাকা নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।

এ ঘটনায় বাক-বিতণ্ডার পর দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও দলীয় নেতা-কর্মীরা সংসদ সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়। তবে অনুষ্ঠানের অর্ধশতাধিক চেয়ার ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় পুলিশ ও দলের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বক্তব্য দিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান শেষ করেন। পরে দলীয় নেতা-কর্মীরা দোয়া শেষে ইফতার করেন।

এ বিষয়ে সাবেক যুবলীগ নেতা নিজাম উদ্দিন বাবুল বলেন, “হেলাল উদ্দিন সাহেবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন নিয়ে আমি জেলা নেতাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। এরপরই অনুষ্ঠানে হট্টগোল শুরু হয়।”

অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিধু ভূষণ দাস বলেন, “ইফতার মাহফিলে ভুল বোঝাবুঝির কারণে একটু হট্টগোল হয়েছে। আর হেলাল উদ্দিন সাহেবকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া নিয়ে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে সে ব্যাপারে গঠণতন্ত্র না দেখে কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।”

এবিষয়ে হেলাল উদ্দিন বলেন, “জেলা আওয়ামী লীগ আমাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার পর ইফতার মাহফিলেও আমি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। আর অনুষ্ঠানে কোনো ভাঙচুর হয়নি। তবে একদল উশৃঙ্খল যুবক শুরু থেকেই আমাদের অনুষ্ঠানটি পণ্ড করার চেষ্টা চালায়। তাই একটু ঝামেলা হয়েছে।”

গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তারিকুজ্জামান বলেন, “ইফতার মাহফিলে হট্টগোল শুরু হলে পুলিশ দু’পক্ষকেই বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় থানায় কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/আরআইআর/এসডি