artk
৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম

টানা বর্ষণে খাগড়াছড়ির অধিকাংশ গ্রাম প্লাবিত, পাহাড় ধসের আশংকা

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২০৩৯ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১২ জুন ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১১০৭ ঘণ্টা, বুধবার ১৩ জুন ২০১৮


টানা বর্ষণে খাগড়াছড়ির অধিকাংশ গ্রাম প্লাবিত, পাহাড় ধসের আশংকা - জাতীয়

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ঢল ও অবিরাম বর্ষণে খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও দীঘিনালা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। জেলা সদরের চেঙ্গী নদীর দুকূল উপচে খাগড়াছড়ি শহর, শহরতলী ও আশপাশের অধিকাংশ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

জেলা সদরের মুসলিমপাড়া, গঞ্জপাড়া, শান্তিনগর, বাঙ্গালকাঠি, গোলাবাড়ি, কমলছড়ি, খবংপুড়িয়া, সিঙ্গিনালার কয়েক শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে ৪ শতাধিক পরিবার।

এদিকে, দীঘিনালা মাইনী নদীতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষনের কারণে উপজেলার ছোটমেরুং,পাবলাখালী, শান্তিপুর, হাচিনপুর, কবাখালী, বোয়ালখালীর কয়েকটি স্কুলসহ বেশকিছু এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। মেরুং বাজারটিও পানিতে ডুবে গেছে।

টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকলে খাগড়াছড়িতেও পাহাড় ধসের আশংকা রয়েছে। অবশ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহে মাইকিং করে সতর্ক দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্তদের পরিদর্শনে যান। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও বড় ধরণের পাহাড় ধসের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের শুকনা খাবার ও জেলা প্রশাসনের পক্ষে সহযোগিতা করা হবে।

পৌর মেয়র রফিকুল আলম পৌর এলাকার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রাতে খিচুড়ি ও শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া প্রতিমন্ত্রী মর্যাদার টার্স্কফোস চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (এমপি) সকালে জেলা সদরের বন্যা কবলিত এলাকা ও দীঘিনালার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ নেন।

নিউজবাংরাদেশ.কম/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত