artk
৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

‘একটি ঘরে ৬ বছর গৃহবন্দী থাকতে থাকতে আমি অসুস্থ’

নিউজ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৬৪৫ ঘণ্টা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ০৯০৬ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১৭ মে ২০১৮


‘একটি ঘরে ৬ বছর গৃহবন্দী থাকতে থাকতে আমি অসুস্থ’ - বিনোদন
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল

দেশের নন্দিত সংগীত পরিচালক ও সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। তার হাত ধরে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার পেয়েছেন শ্রোতারা। বিশেষ করে তার সুর ও সংগীত সমৃদ্ধ করেছে বাংলা চলচ্চিত্রকে। সেই মানুষটি গেল ছয় বছর ধরে রয়েছেন গৃহবন্দী। তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “একটি ঘরে ৬ বছর গৃহবন্দি থাকতে থাকতে আমি আজ উল্লেখযোগ্যভাবে অসুস্থ।”

কারণ ২০১২ সালে যুদ্ধাপরাধীর ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় সাক্ষী হিসেবে দাঁড়াতে হয়েছিল তাকে। সেই জের ধরে আততায়ীরা খুন করে বুলবুলের ছোট ভাই মিরাজকে।

গৃহবন্দি আর ছোট ভাই হারানোর কষ্ট বুকে নিয়ে নিরবে নিভৃতে একমাত্র পুত্রকে নিয়ে দিনযাপন করছিলেন তিনি। এরই মধ্যে জানা গেলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। তার হার্টে ৮টি ব্লক ধরা পড়েছে। শিগগিরই বাইপাস সার্জারি করা হবে তার।

নিজের ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল নিজেই জানালেন সেই কথা। তিনি লিখেছেন, “একটি ঘরে ৬ বছর গৃহবন্দি থাকতে থাকতে আমি আজ উল্লেখযোগ্যভাবে অসুস্থ। আমার হার্টে ৮টা ব্লক ধরা পড়েছে, এবং বাইপাস সার্জারি ছাড়া এর চিকিৎসা সম্ভব না। আগামী ১০ দিনের মধ্যে আমি আমার হার্টের সার্জারি করাতে প্রস্তুত রয়েছি।”

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের সিসিউতে চারদিন ভর্তি ছিলেন তিনি। এই খবরটা কেউই জানেন না শোবিজের!

রাষ্ট্রের হয়ে সাক্ষী দেয়ার জন্য ভাইকে হারিয়েছেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। সেই ভাই খুনের বিচার চেয়েছিলেন তিনি রাষ্ট্রের কাছে, পাননি। উল্টো নিজেই হারিয়েছেন স্বাভাবিক জীবন-যাপনের আনন্দ। পুলিশি পাহারায় দিন কাটে তার। সেই অভিমান নিয়ে তিনি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “কোনো সরকারি সাহায্য বা শিল্পী, বন্ধু বান্ধবের সাহায্য আমার দরকার নাই। আমি একাই যথেষ্ট। শুধু অপারেশনের পূর্বে ১০ সেকেন্ডের জন্য বুকের মাঝে বাংলাদেশের পতাকা এবং কোরাআন শরিফ রাখতে চাই।”

ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে দোয়া চেয়ে তিনি লেখেন, “তোমরা আমার জন্যে শুধু দোয়া করবে। কোনো ভয় নাই।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য