artk
৬ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বুধবার ২২ আগস্ট ২০১৮, ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

খালেদার জামিন বহাল, জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ০৯৪১ ঘণ্টা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৪২৬ ঘণ্টা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮


খালেদার জামিন বহাল, জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ - রাজনীতি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেয়া হাইকোর্টের জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে এ মামলায় খালেদার জামিন বহাল রইলো।

বুধবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আপিল করেছিল। দুটি আপিলই খারিজ করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

আদেশে আপিল বিভাগ বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে আপিল (দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল) ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

এর আগে মঙ্গলবার এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য থাকলেও অ্যাটর্নি জেনারেলের আবেদেনের ভিত্তিতে আদালত আরো শুনানি গ্রহণ করে। পরে আদেশের জন্য বুধবার দিন ধার্য করে।

খালেদার জামিন প্রশ্নে মঙ্গলবার আদেশ দেয়ার দিন ধার্য ছিল। ওইদিন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আবার যুক্তিতর্ক তুলে ধরার আবেদন জানালে অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

এর আগে ৯ মে এই আপিলের শুনানি শেষে আদেশের জন্য ১৫ মে (মঙ্গলবার) দিন ঠিক করেছিলেন আপিল বেঞ্চ।

ওইদিন খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখার আর্জি জানিয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবীরা।

এর আগের দিন ৮ মে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী।

পর দিন সকালে তিনি তার অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। পরে জামিন বহাল রাখার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন খালেদার আরেক আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। সেদিন থেকেই তিনি নাজিম উদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে একমাত্র বন্দি হিসেবে আছেন। এই মামলায় খালেদা জিয়া হাইকোর্টে আবেদন করলে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট চার মাসের অর্ন্তবর্তীকালীন জামিন দেন। পরদিন ১৩ মার্চ জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক। ওইদিন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর জামিন আদেশ স্থগিত না করে আবেদন দুটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

পরদিন ১৪ মার্চ হাইকোর্টের দেয়া চার মাসের জামিন আদেশ ১৮ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। ওই সময়ের মধ্যে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত আপিলের আবেদন (লিভ টু আপিল) করার নির্দেশ দেয়া হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, লিভ টু আপিল দায়ের করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ। পরে ১৯ মার্চ আপিল বিভাগ দুটি আপিলই শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। আপিল নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত জামিনও স্থগিত করেন সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদককে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী গত ৮ এপ্রিল আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দেয় দুদক। ওইদিন জামিন স্থগিতের পাশাপাশি আপিল শুনানির জন্য ৮ মে দিন নির্ধারণ করেছিলেন আপিল বিভাগ। সে অনুযায়ী মামলাটির শুনানি হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত