artk
৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

‘খালেদার মামলাকে অন্য মামলার সঙ্গে মেলালে চলবে না’

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৭১৮ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৫ মে ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ০৯৫৩ ঘণ্টা, বুধবার ১৬ মে ২০১৮


‘খালেদার মামলাকে অন্য মামলার সঙ্গে মেলালে চলবে না’ - কোর্ট-কাচারি
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম: ফাইল ফটো

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেছেন, অন্য মামলার সঙ্গে খালেদা জিয়ার মামলাকে একসঙ্গে মেলালে চলবে না। এই মামলা সরকারি তহবিল আত্মসাতের মামলা।

মঙ্গলবার সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আরও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আবেদন করেন। আদালত অনুমতি দিলে দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত তিনি যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণার দিন পিছিয়েছেন।

আগামীকাল বুধবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ। এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের আদেশের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল।

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কয়েকজন নেতার জামিন নিয়ে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত পড়ে শোনান।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “ওই নেতাদের প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবস্থায় গিয়েছিল। এ-সংক্রান্ত চিকিৎসা সনদপত্রও ছিল। প্রত্যেকেই দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন।” তাদের জীবন সংকটাপন্ন ছিল বলে জানান তিনি।

মাহবুবে আলম বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিলে টাকা এসেছিল। সেই টাকা তুলে অন্য একটি এতিম তহবিলে হস্তান্তর করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই সরকারি টাকা তুলে অন্য তহবিলে দেয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া।”

অ্যাটর্নি জেনারেল যুক্তিতর্কে বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ কয়েকজনের মামলায় উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত পড়ে শোনান।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “মেডিকেল বোর্ড বলেনি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খারাপ। কেবল পত্রিকার খবর আর সংবাদ সম্মেলন করে তারা বলছেন খালেদার শারীরিক অবস্থা খারাপ।”

অ্যাটর্নি জেনারেলের এই বক্তব্যের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদিন আদালতে বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল যে সব মামলার সিদ্ধান্ত পড়েছেন, তা হয়েছিল জরুরি সরকারের সময়ে। হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন, আর তাতে আপিল বিভাগ হস্তক্ষেপ করেছেন—এমন নজির নেই। এ ধরনের মামলায় হাইকোর্ট জামিন দিলে এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আপিল করেনি। অথচ খালেদা জিয়ার মামলায় সরকার আর দুদক মিলে আপিল করেছে।

৮ ও ৯ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপিল বিভাগে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন।

এরপর বেলা সাড়ে ১১টা সময় নির্ধারণ করে যুক্তিতর্ক তুলে ধরার আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য