artk
৩০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সোমবার ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ৯:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম

এবারের জেএসসি-জেডিসিতে কমছে নম্বর ও বিষয়

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২০৩৮ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ০৮ মে ২০১৮


এবারের জেএসসি-জেডিসিতে কমছে নম্বর ও বিষয় - শিক্ষাঙ্গন

এ বছর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষা সমাপনী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় ৭টি বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষি ও গার্হস্থ্য বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া হবে না।

শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে চাপ কমাতে মঙ্গলবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপ-কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক। তিনি বলেন, “আমরা এবার পরীক্ষায় বিষয় ও নম্বর কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাতটি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা ও ইংরেজিতে ১৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হতো। এবার থেকে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তাব গ্রহণ করেছি। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয়পত্রের জন্য (উভয় পত্র মিলে) ১০০ করে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।”

তিনি আর বলেন, “এ ছাড়া গণিত, বিজ্ঞান, ধর্ম, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য প্রযুক্তির পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরের। মোট ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। মন্ত্রণালয় এই প্রস্তাব অনুমোদন দিলে এ বছর তা বাস্তবায়ন করা হবে।”

এর আগে ২০১৭ সালের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের ৮টি বিষয়ে ৮৫০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে। বাংলা প্রথমপত্র ১০০, দ্বিতীয়পত্র ৫০, ইংরেজি প্রথমপত্র ১০০, দ্বিতীয়পত্র ৫০, গণিত, ধর্ম, বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, গার্হস্থ্য অর্থনীতি/কৃষি বিষয়ে ১০০ করে এবং তথ্য প্রযুক্তিতে ৫০ নম্বরসহ মোট ৮৫০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া ওই বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় চারু ও কারুকলা, শারীরিক শিক্ষা ও কর্মমুখী শিক্ষা বাদ দেয়া হয়েছিল। এবার বাদ দেয়া হচ্ছে কৃষি ও গার্হস্থ্য বিজ্ঞান। আর বাংলা ও ইংরেজির দুই পত্র মিলে ৫০ নম্বর করে কমিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে। যেসব বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা হবে না, সেসব বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়ন করবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসই একমাত্র চ্যালেঞ্জ নয়, একটি মানসম্মত পরীক্ষা নেয়াও উদ্দেশ্য।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য