artk
৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ২:২৩ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আরও ২ দিনের রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২১১৭ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১৯ এপ্রিল ২০১৮


ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আরও ২ দিনের রিমান্ডে - কোর্ট-কাচারি

প্রায় ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীর ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মুহাম্মদ ফাহ্দ বিন আমিন চৌধুরীর আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার বাবুল চিশতীকে আদালতে হাজির করে ফের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম।

দুদকের আইনজীবী মোহাম্মদ আবুল হোসেন রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন। অপরদিকে আসামি পক্ষের মাহফুজ মিয়া রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিনের আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত ১০ এপ্রিল তার ৫ দিনের মঞ্জুর করেন আদালত। ওইদিন তার ছেলে ছেলে রাশেদুল হক চিশতী, ব্যাংকটির ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান খান ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়াউদ্দিন আহমেদের চারদিন করে রিমান্ড দেন আদালত। গতকাল বুধবার ওই তিন আসামিকে রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে বাবুল চিশতীসহ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বাধীন একটি দল। এর আগে রাজধানীর গুলশান থানায় ওই অভিযোগে ছয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে দুদক।

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন-মাহবুবুল হক চিশতীর স্ত্রী রুজী চিশতী ও এবং ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখার প্রাক্তন ব্যবস্থাপক ও বর্তমান সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলোয়ার হোসেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ব্যাংকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাহবুবুল হক চিশতী গুলশান শাখায় সঞ্চয়ী হিসাব খুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ নগদে ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা ও উত্তোলন করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়েদের ও তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন শাখার মোট ২৫টি হিসাবে বেশিরভাগ অর্থ নগদ ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে মোট ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। হিসাবগুলোতে গ্রাহকদের হিসাব থেকে পাঠানো অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং নিজেদের নামে ক্রয়কৃত ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করে মানিল্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আসামিদের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য