artk
৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

‘টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে চোখ-মুখ বেঁধে ফেলা হয়’

ঢাবি সংবাদদাতা | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৭৩৩ ঘণ্টা, সোমবার ১৬ এপ্রিল ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৩১৫ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল ২০১৮


‘টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে চোখ-মুখ বেঁধে ফেলা হয়’ - জাতীয়

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের তিন যুগ্ম আহ্বায়ককে সোমবার দুপুরে ‘তুলে নিয়ে গিয়েছিল’ পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তবে এক ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর তিন নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এসে সংবাদ সম্মেলন করেন।

যাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তারা হলেন- নূরুল হক, রাশেদ খান ও ফারুক হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক বলেন, “কোটা সংস্কার আন্দোলন করতে গিয়ে আহতদের দেখতে তারা তিনজন রিকশায় করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে যাওয়া মাত্র সাদা পোশাকের ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য অস্ত্র দেখিয়ে তাদের তিনজনকে মাইক্রোবাসে ওঠায়। এরপর একজনের চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে।"

এ অবস্থায় ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাদের বলেন, তাদের কাছ থেকে কিছু তথ্য নেবেন এবং ভিডিও দেখাবেন। এরপর তাদের গুলিস্তানে নিয়ে যান। সেখানে ডিবি পুলিশের সদস্যরা কয়েকটি গামছা কেনেন। এরপর গামছা দিয়ে তাদের বাকি দুজনের চোখ-মুখ বেঁধে ফেলেন। রমনায় ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে তাদের চোখ-মুখ খোলা হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশ। এরপর তারা ক্যাম্পাসে চলে আসেন।

আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, “ডিবি পুলিশের সদস্যরা আমাদের গাড়িতে ওঠানোর সময় আরো বলেন, আমাদের ওপর নাকি বিপক্ষ গ্রুপ হামলা চালাবে। এ জন্য আমাদের নিরাপত্তার জন্য ধরে নিয়ে যাচ্ছেন।”

রাশেদ খান অভিযোগ করেন, “তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ পৌরসভায়। সকালে ঝিনাইদহ থানার পুলিশ তাদের বাড়িতে হানা দেয়। দুপুরে তার বাবা নবাই বিশ্বাসকে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ করা হয়েছে। তার বাবা ও তিনি জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তবু পুলিশ জোর করে তাদের পরিবারকে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে যুক্ত করার প্রমাণ করতে চাইছে।”

সংবাদ সম্মেলন শেষে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। তারা কোনো কর্মসূচির ঘোষণা দেননি।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের তিন নেতাকে আটকের ব্যাপারে ডিবি পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসডি/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য