artk
৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বুধবার ১৮ জুলাই ২০১৮, ২:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম

কোটা আন্দোলন
ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ৩০ অ্যাকাউন্ট শনাক্ত

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২২৩৩ ঘণ্টা, রোববার ১৫ এপ্রিল ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ০৮৪৩ ঘণ্টা, সোমবার ১৬ এপ্রিল ২০১৮


ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ৩০ অ্যাকাউন্ট শনাক্ত - জাতীয়

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে অজ্ঞাত সংখ্যক লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এজন্যে তারা প্রাথমিকভাবে ফেসবুকের দুশোটির মতো অ্যাকাউন্টকে সন্দেহ করলেও তদন্তের পর এখন এই সংখ্যা ২০ থেকে ৩০টি হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম জানান, এর মধ্যে ফেসবুক পেইজ, ফেসবুকে ও টুইটারে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট এবং কিছু অনলাইন পোর্টাল রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকার রমনা থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে কারও নাম ঠিকানা উল্লেখ করা হয়নি। এর সাথে বিভিন্ন ফেসবুক আইডির নাম এবং পোস্টও যুক্ত করা হয়েছে।

সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম জানান, যার পায়ের রগ কেটে ফেলা হয়েছে বলে রটানো হয়েছে, সেই ছাত্রীই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেছেন, রাগ উঠে যাওয়ায় তিনি লাথি মেরেছিলেন এবং তখন তার পা কেটে যায়। আমরা এখন এই আইডিগুলো নিয়ে কাজ করছি। এসবের পেছনে আসলেই যারা আছে তাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, মৃত্যু ও রগ কাটার মতো মিথ্যা তথ্য প্রচার করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যারা সহিংস করে তুলেছে তাদেরকে খুঁজে বের করার কাজ চলছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এই অ্যাকাউন্টগুলো পর্যালোচনা করে তারা এখন উসকানিমূলক তথ্য প্রচারকারী ও গুজব রটনাকারীদের খুঁজে বের করবেন।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, এই কাজটি তাদেরকে অনেক সতর্কতার সাথে করতে হচ্ছে। কারণ ফেক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একজন আরেকজনের নাম ব্যবহার করেও এটা করতে পারেন। সেকারণে এর পেছনের প্রকৃত লোকগুলোকেই তারা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকার রমনা থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে কারও নাম ঠিকানা উল্লেখ করা হয়নি। এর সাথে বিভিন্ন ফেসবুক আইডির নাম এবং পোস্টও যুক্ত করা হয়েছে।

সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে আন্দোলনের ডাক দেওয়া একটি গণতান্ত্রিক বিষয়। কিন্তু কিছু লোক যখন মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে ফেসবুকের অপব্যবহার করে সহিংসতায় প্ররোচনা দেয় তখন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’

সোশাল মিডিয়ায় যেসব কনটেন্ট শেয়ার হচ্ছে, আপলোড করা হচ্ছে কিম্বা সেখানে যেসব মন্তব্য করা হচ্ছে সেগুলোর উপর নজর রাখার জন্যে এই ইউনিটের রয়েছে বিশেষ একটি বিভাগ।

এই বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পুলিশের গুলিতে আবু বকর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের মৃত্যু এবং আন্দোলনের বিরোধিতা করায় এক ছাত্রীর পায়ের রগ কেটে ফেলা হয়েছে এরকম মিথ্যা খবর রটিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে সহিংস করে তোলা হয়েছিল। আবু বকরের মৃত্যু হয়েছে বলে ফেসবুকে গুজব ছড়ানো হয়েছে কিন্তু এই খবরের কোন সত্যতা নেই। তিনি শুধু তার চোখের কোণে সামান্য আঘাত পেয়েছেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত