artk
৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

খালেদা জিয়া ‘গুরুতর অসুস্থ, চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না’

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৩৩৫ ঘণ্টা, রোববার ১৫ এপ্রিল ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৪০৭ ঘণ্টা, রোববার ১৫ এপ্রিল ২০১৮


খালেদা জিয়া ‘গুরুতর অসুস্থ, চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না’ - রাজনীতি

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার তিলে তিলে নিঃশেষ করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে গুরুতর অসুস্থ। তিনি অসুস্থ হলেও এখন পর্যন্ত তাকে কোনো চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না।”

রোববার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, “সরকারি মেডিক্যাল বোর্ড মামুলি প্রহসনের এক্সরে ও রক্ত পরীক্ষা করে ফিজিওথেরাপির সুপারিশ করেছে। এটা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করতে বহুমুখী চক্রান্তের অংশ।”

‘অশুভ শক্তি যেন আর ক্ষমতায় না আসতে পারে’ গতকাল পহেলা বৈশাখের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন, এখন জনগণ মনে করে দেশের সবচেয়ে বড় অশুভ শক্তি বর্তমান মহাজোট সরকার। ভোটারবিহীন অগণতান্ত্রিক শক্তি হচ্ছে সবচাইতে নিকৃষ্ট অশুভ শক্তি।”

রিজভী বলেন, “একজন বয়স্ক ও দেশের জনপ্রিয় নেত্রী যিনি দীর্ঘদিন ধরে হাঁটু ও চোখের সমস্যার পাশাপাশি তাকে কারাগারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখায় আরো বেশকিছু শারীরিক সমস্য দেখা দিয়েছে। তার দুই হাঁটু প্রতিস্থাপন করা হয়েছে এবং সম্প্রতি চোখের অপারেশনও হয়েছে।”

তিদনি বলেন, “সরকারি মেডিক্যালের চিকিৎসক বোর্ড বলেছে, তার এক্স-রে রিপোর্টগুলোতে দেখা যাচ্ছে ঘাড়ে ও কোমরের হাড়ে সমস্যা আছে। এ অবস্থায় আধুনিক চিকিৎসার যুগে এমআরআইসহ উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া শুধু এক্সরে ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট ও সঠিক রোগ নির্ণয় সম্ভব নয়। দেশনেত্রীকে যেদিন পিজি হাসপাতালে আনা হয়েছিল সেখানে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের ডাকা হলেও তাদের চিকিৎসাসেবার সুযোগ ও পরামর্শ নেয়া হয়নি।”

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে কারাগারে তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনদের দেখা করতেও বাধা দেয়া হচ্ছে। বিএনপির পক্ষ থেকে আমি বেগম জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য অতি দ্রুত তার নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।”

রিজভী বলেন, “গতকাল প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে কবিগুরুর ‘১৪০০ সাল’ কবিতাটি আওড়িয়েছেন। আমি শুধু প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এটুকুইু বলতে চাই-বিরোধীদের প্রতি সরকার প্রধানের ক্ষোভ, ঘৃণা এবং ধ্বংস করার মানসিকতার কারণে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ওই কবিতাটি এখন কীভাবে গৃহীত হচ্ছে সেটি তিনি উপলব্ধি করতে পারেননি।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত