artk
৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, রোববার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম

রংপুরে মাজারের খাদেম হত্যায় ৭ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

রংপুর সংবাদদাতা | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৩০৯ ঘণ্টা, রোববার ১৮ মার্চ ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৩৫৭ ঘণ্টা, রোববার ১৮ মার্চ ২০১৮


রংপুরে মাজারের খাদেম হত্যায় ৭ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড - কোর্ট-কাচারি

রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যায় মামলায় সাত জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এ মামলায় ছয় আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

রোববার রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মন্ত্রী, ওই জঙ্গি সংগঠনের সদস্য এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বিজয় ওরফে আলী ওরফে দর্জি, সাখাওয়াত হোসেন, সরওয়ার হোসেন ওরফে সাবু ও চান্দু মিয়া। এদের মধ্যে চান্দু পলাতক রয়েছেন। এদের মধ্যে মাসুদ রানা, এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন চাঞ্চল্যকর জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি আবু সাঈদ, তৌফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব, বাবুল আখতার, সাহাদাত ওরফে রতন ও পলাতক নজিবুল ইসলামকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর গত ৪ মার্চ শোনার পর রায়ের তারিখ ধার্য করেন বিচারক।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা, পল্লী চিকিৎসক ও মাজারের খাদেম রহমত আলী বাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে চৈতার মোড় নামক স্থানে তাকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

তদন্ত শেষে পুলিশ ওই মামলায় ১৪ জেএমবির সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। যার মধ্যে আসামি পঞ্চগড়ের নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক হাসান ২০১৬ সালের ১ আগস্ট রাতে রাজশাহীতে এবং কুড়িগ্রামের সাদ্দাম হোসেন ২০১৭ সালের ৫ জানুযারি ঢাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। শুনানী শেষে বিচারক নিহত দুই জঙ্গিকে বাদ দিয়ে গত বছরের ১৬ আগস্ট ১২ জনের নামে অভিযোগ গঠন করেন।

এদিকে অভিযোগ গঠনের পর মামলার বাদী নারাজি এনে পুনঃতদন্তের দাবি জানালে আদালত বাদীর আবেদন খারিজ করে দেন। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করলে আদালত পুনঃতদন্ত করে ৪০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য রংপুর পুলিশ হেড কোয়াটারকে নির্দেশ দেন।

পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার পুনঃতদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ১৩ জঙ্গির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এর মধ্যে বিজয় ওরফে আলী ওরফে দর্জি নামে এক জঙ্গিকে এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত