artk
১২ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সোমবার ২৫ জুন ২০১৮, ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

‘মানুষগুলো পুড়ছিল, চিৎকার করছিল’

নিউজ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৪৪০ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৩ মার্চ ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৫৪৬ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৩ মার্চ ২০১৮


‘মানুষগুলো পুড়ছিল, চিৎকার করছিল’ - জাতীয়

“আমি আমার বন্ধুদের সঙ্গে বিমানে ছিলাম। বিমানটি যখন অবতরণ করছিল তখন সেটা বাম দিকে কাত হয়ে যায়। যাত্রীরা তখন চিৎকার করতে শুরু করে। হঠাৎ করেই আমরা বিমানের পেছনে আগুন দেখতে পাই। আমার বন্ধু আমাকে বলে, ‘চলো দৌড়ে সামনে যাই।’ তখন আমরা দৌড়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম, এ অবস্থায় আমার বন্ধুর গায়ে আগুন ধরে যায়। সে তখন পড়ে যায়। মানুষগুলো পুড়ছিল, চিৎকার করছিল এবং পড়ে যাচ্ছিল। তিন জন লোক জ্বলন্ত উড়োজাহাজ থেকে লাফ দিলো। এটা ভয়ানক ছিল। ভাগ্যবশত কিছু লোক আমাকে টেনে তুললো।”

অশ্রুসজল চোখে দ্য হিমালয়ান টাইমসকে এ কথা বলেন ২৯ বছল বয়সী শাহরিন।

পেশায় শিক্ষক শাহরিন এক বন্ধুর সঙ্গে কাঠমান্ডু ও পোখারা ঘুরতে গিয়েছিলেন।

ওই দুর্ঘটনায় তার শরীরের ১৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। ডান পায়ের পাতা আহত হয়েছে। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু মেডিক্যাল কলেজ টিচিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরেক বাংলাদেশি যাত্রী মেহেদি হাসান প্রথম বারের মতো নেপাল ঘুরতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী, কাজিন ও তার মেয়ে।

মেহেদি হাসান বলেন, “আমার সিট ছিল পেছনের দিকে। যখন আগুন দেখতে পাই, আমার পরিবারের দিকে তাকাই আমি। আমরা জানালার কাচ ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু পারছিলাম না। আশা করছিলাম, কেউ এসে আমাদের উদ্ধার করবে। দুর্ঘটনায় আমি আর আমার স্ত্রী বেঁচে গেছি। তবে আমার কাজিন ও তার মেয়ের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।”

সোমবার দুপুরে ৬৭ জনযাত্রীসহ ৭১ জন আরোহী নিয়ে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলার ড্যাশ উড়োজাহাজটি। 

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য