artk
১১ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সোমবার ২৫ জুন ২০১৮, ৩:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম

নাটোরে জেএমবি সন্দেহে আটক ৪, হাতবোমা জব্দ

নাটোর প্রতিনিধি | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ০৯৩৫ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৩ মার্চ ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৬৩৬ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৩ মার্চ ২০১৮


নাটোরে জেএমবি সন্দেহে আটক ৪, হাতবোমা জব্দ - জাতীয়

নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া এলাকায় একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চার জেএমবি সদস্যকে আটক করেছে। এসময় ওই আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি হাত বোমা, দুই লিটার পেট্রল, আটটি সাংগঠনিক বই, কিছু সিডি, ল্যাপটপ, একটি মোটর সাইকেলসহ বেশ কিছু সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে উত্তরা গণভবন সংলগ্ন একটি বাড়ি পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদারের নেতৃত্বে জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘিরে ফেলে। ওই বাড়িতে থাকা সন্দেহভাজন জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান জানানো হয়। এতে সাড়া না পেয়ে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ওই আস্তানায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। এসময় পুলিশ নয় রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। প্রায় এক ঘণ্টা পর জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ করে।

আত্মসমর্পণকারীরা হচ্ছেন- জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার চাপাপুকুর গ্রামের মৃত শুকুরের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৪), একই গ্রামের উত্তরপাড়া এলাকার মৃত ভিকু মণ্ডলের ছেলে ফজলুর রহমান ওরফে ফজলু (৩৮), সিংড়া উপজেলার আরকান্দি পশ্চিমপাড়া গ্রামের ইউনুস আলী মিয়ার ছেলে আনিসুর রহমান ওরফে আনিস (৪০) ও নলডাঙ্গা উপজেলার খোলাবাড়িয়া গ্রামের ফজলার রহমানের ছেলে জাকির হোসেন (৩৮)।

পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানান, প্রায় মাস খানেক আগে আমির হামজা নামে দিঘাপতিয়া এমকে কলেজের এক ছাত্র ও স্কাউট সদস্য ওই বাড়িটি ভাড়া নেন। আগে ওই বাড়িতে কেউ থাকতো না। রফিকুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বাড়িটি দেখাশুনা করতেন। তার কাছ থেকে বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন আমির হামজা। সেখান থেকে বিভিন্ন নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন তারা।

তিনি আরো জানান, অভিযানকালে আমির হামজাকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আমির হামজাসহ আরো জঙ্গি পালিয়ে গেছে। তবে আটক জঙ্গিদের কাছ থেকে তথ্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত