artk
৯ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৬২২ ঘণ্টা, শনিবার ১০ মার্চ ২০১৮


পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে - অর্থনীতি

দীর্ঘদিন ধরে চড়া পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোয় দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। মাছ-মাংস, সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও লেবুর দাম ছিল আকাশছোঁয়া।

শুক্রবার রাজধানীর শান্তিনগর ও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

গত সপ্তাহে যে দেশি পেঁয়াজ ৫০-৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে, তা শুক্রবার ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। একই অবস্থা আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের। প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪৫ টাকায়, গত সপ্তাহে এ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪৫-৫৫ টাকায়। গত নভেম্বরে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। আর ভারতীয় পেঁয়াজ ১০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হয়েছিল। আদা-রসুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে।

শীতকালীন সবজির দাম স্থিতিশীল ছিল। পাকা টমেটো প্রতি কেজি ১০-১৫ টাকা, ক্ষীরা ৪০ টাকা, শালগম ২০-২৫ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, আলু ১৬-২০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা, মুলা ১৫-২০ টাকা, শিম ৩০-৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ২৫-৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহে লাউ ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। লালশাক, পালংশাক ও ডাঁটাশাক ৩ আঁটি ২০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, এবার সবজির উৎপাদন ফলন ভালো হয়েছে। তাই সরবরাহ বেশি। বাজারে লাউ ও টমেটোর সরবরাহ বেড়েছে। যে কারণে আগের সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা কম। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম সব থেকে বেশি কমেছে লাউয়ের। গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় অর্ধেক দামে এখন লাউ বিক্রি হয়েছে। যদিও খাবারের স্বাদ বাড়াতে সহায়ক লেবুর দাম ছিল আকাশছোঁয়া। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হয়েছে ৪০-৬০ টাকায়। শান্তিনগরের কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা মোকলেছুর রহমান বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম বাড়েনি। বরং দাম কিছুটা কমেছে। তবে আগাম গ্রীষ্মকালীন সবজি যেমন পটোলের দাম তুলনামূলক বেশি। মাছ ও মাংসের দামও রয়েছে গত সপ্তাহের মতোই। প্রতি কেজি কাতল মাছ ২২০ টাকা, পাঙ্গাশ ১২০ টাকা, রুই ২৩০-২৮০ টাকা, সিলভারকার্প ১৩০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, টেংরা ৩৫০-৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা ও চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। মাংসের মধ্যে গরুর মাংস ৪৫০-৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০-৭৫০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৩০-১৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া সোনালি মুরগি প্রতি পিস আকারভেদে ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসডি

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য