artk
১২ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সোমবার ২৫ জুন ২০১৮, ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

শাবিতে অর্ধনগ্ন করে রাতভর র‌্যাগিং

শাবি সংবাদদাতা | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১০৪৪ ঘণ্টা, সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৫৫০ ঘণ্টা, সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮


শাবিতে অর্ধনগ্ন করে রাতভর র‌্যাগিং - শিক্ষাঙ্গন
ছবি: সংগ্রহ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ছয় নবীন শিক্ষার্থী বড়ভাইদের হাতে ভয়াবহ র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন। তারা তাদের অর্ধনগ্ন করে রাতভর বসিয়ে রাখে।

অন্যদিকে এসব ঘটনা কাউকে না জানানোর হুমকি দেয়া হয়।

সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকের তপোবন আবাসিক এলাকার ‘তাফাদার ভিলায়’ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের ছয় নবীন শিক্ষার্থীকে রাত ১০টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত আটকে রেখে অর্ধনগ্ন করে র‌্যাগ দেয় একই বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের ১৯ শিক্ষার্থী এবং পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ১ শিক্ষার্থী।

পরিচয় দেয়ার নামে তাদের অর্ধনগ্ন করে র‌্যাগ দেয়াসহ অর্ধনগ্ন না হতে চাইলে একপর্যায়ে মারধরও করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের জোর করে অর্ধনগ্ন ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অশ্লীল ক্যাপশন দিয়ে একটি গ্রুপে পোস্ট করা হয় এবং বেশ কিছু সময় পরে ডিলিট করা হয়। বিষয়গুলো কাউকে বললে তাদের শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার দেন সিনিয়ররা।

এ ব্যাপারে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা প্রচণ্ড রকমের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। এ নিয়ে কারো সাথে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছে। এজন্য তারা এখনো প্রশাসনের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচিতির নামে কোনো ধরনের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন মেনে নেয়া হবে না। অতি শিগগিরই শৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিভিল অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুশতাক আহমেদ বলেন, “আমি ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের উপর জিরো টলারেন্স আরোপ করা আছে। র‌্যাগিংয়ের সাথে জড়িত কাউকে কোনো ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য