artk
১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ৯:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে বাদ দেয়া হচ্ছে এমসিকিউ: কাজী কেরামত

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২১২৩ ঘণ্টা, সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১০৩৭ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮


প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে বাদ দেয়া হচ্ছে এমসিকিউ: কাজী কেরামত - শিক্ষাঙ্গন
কাজী কেরামত আলী: ফাইল ফটো

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় একের পর এক প্রশ্নপ্রত্র ফাঁসের পর বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) তুলে দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী।

এর আগে, প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এমসিকিউ তুলে দেয়ার পক্ষে শিক্ষা সচিবও মত জানিয়েছিলেন।

সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এমসিকিউ প্রশ্ন পর্যায়ক্রমে তুলে দেয়া হবে। তাহলে প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ থাকবে না।”

প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আসা কাজী কেরামত বলেন, “একটি চক্র প্রশ্ন ফাঁস করে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে তাদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

প্রতিমন্ত্রী বলার পর প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম মিলন বলেন, “পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। চরম ব্যর্থতা বলব না। মনে হয় সাহসী সৎ নিষ্ঠাবান লোক সেখানে নেই।”

তিনি বলেন, “শিক্ষা বোর্ড দুর্নীতির আখড়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সৎ নিষ্ঠাবান লোক খুঁজে বের করে দায়িত্ব দেয়া উচিত। কোচিং ব্যবস্থাও দায়ী। এটা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ।”

অপরদিকে, পরীক্ষার বর্তমান পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া রোধ ‘কোনোভাবেই সম্ভব নয়’ বলে মনে করেন শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন। আগামীতে এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র না ছাপিয়ে বই খুলে পরীক্ষা নেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার রাজধানীতে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এসব তথ্য জানান।

১৯৯২ সালে এসএসসিতে প্রবর্তনের সময় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা এমসিকিউতে নেয়া হতো। পরে তা কমিয়ে আনা হয়।

গত বছরজুড়ে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের পর এবার এসএসসিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কড়া হুঁশিয়ারি এবং প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার ঘোষণার পরও চলছে একই ধারা।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য