artk
৪ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সোমবার ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম

মোমিন হত্যা মামলায় আগের রায় বহাল

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৬১৪ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭


মোমিন হত্যা মামলায় আগের রায় বহাল - কোর্ট-কাচারি

রাজধানীর কাফরুলের আলোচিত কলেজছাত্র মো. কামরুল ইসলাম মোমিন হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার ওই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ ও নির্মল কুমার দাস। আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী  ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আইনজীবী এ কে এম তৌহিদুর এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে  রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী শফিকুর রহমান কাজল।

চাঞ্চল্যকর মামলাটিতে রাজধানীর মতিঝিল থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। তবে কারাবন্দি অবস্থায় ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে মারা যান রফিকুল ইসলাম।

মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন- তারেক ওরফে জিয়া ও শাখাওয়াত হোসেন জুয়েল। তারা দু’জনেই পলাতক রয়েছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ জাফর, শরিফ উদ্দিন, মনির হাওলাদার, হাসিবুল হক ওরফে জনি, হাবিবুর রহমান ওরফে তাজ, ঠোঁট উঁচা বাবু। এর মধ্যে হাবিবুর রহমান ওরফে তাজ, ঠোঁট উঁচা বাবু ছাড়া বাকীরা পলাতক।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর কাফরুলে কমার্স কলেজের ছাত্র মোমিনকে খুন করা হয়। এই ঘটনায় ওই দিন মোমিনের বাবা আবদুর রাজ্জাক বাদী হয়ে মতিঝিল থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম রফিকুল ইসলামসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় প্রধান আসামি ছিলেন ওসি রফিক, যিনি কারাবন্দী থাকা অবস্থায় ২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর মারা যান।

২০০৮ সালের ১১ নভেম্বর নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ অক্টোবর এই মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি ওসি রফিকের বিরুদ্ধে নতুন ধারা যুক্ত করে অভিযোগ গঠন করা হয়। এই মামলায় ২০১১ সালের ২০ জুলাই ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় দেন। রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও হাবিবুর রহমান তাজসহ ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। কারাগারে থাকা দুই আসামি আপিল ও জেল আপিল করেন। এসবের ওপর ১২ নভেম্বর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য