artk
৪ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সোমবার ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, ১:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ট্রাম্পের ঘোষণায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষ শুরু

বিদেশ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৪১১ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৪১৭ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭


ট্রাম্পের ঘোষণায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষ শুরু - বিদেশ

জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর বুধবার রাত থেকে এ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

এরইমধ্যে গাজা উপত্যকা ও বেথলহাম শহরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি এবং গাজা উপত্যকায় ট্রাম্পের কুশপুত্তলিক পোড়ানো হয়েছে। এছাড়া, ট্রাম্পের ঘোষণার প্রতিবাদে বেথেলহাম শহরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন বড়দিন উপলক্ষে সাজানো ক্রিসমাস ট্রি’র আলোকসজ্জার সুইচ বন্ধ করে দেন। বড়দিনে আলোকসজ্জা চালু করা হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মার্কিন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন।

জেরুসালেম প্রশ্নে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক শুক্রবার জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার জেরুসালেম প্রশ্নে জরুরি বৈঠক ডেকেছে। ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুসালেমকে স্বীকৃতি দেয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। বুধবার পরিষদের নেতা বৈঠকের এ ঘোষণা দেন।

পর্যায়ক্রমে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা দেশ জাপান জানায়, আটটি দেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতে আহবান করা এ আলোচনা শুক্রবার সকাল ১০টায় (গ্রিনিচ মান সময় ১৫০০টা) শুরু হবে। এ বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে আরো অনেক বিষয় রয়েছে।

বলিভিয়া, ব্রিটেন, মিশর, ফ্রান্স, ইতালি, সেনেগাল, সুইডেন ও উরুগুয়ের অনুরোধে এ বৈঠক আহবান করা হয়। তারা বৈঠকের শুরুতে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেসকে বক্তব্য দেয়ারও অনুরোধ জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর গুতেরেস বলেন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই কেবলমাত্র জেরুসালেমের বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে পারে। এক্ষেত্রে তিনি একতরফা কোনো পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের ক্ষেত্রে ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কোনো বিকল্প নেই।’

বলিভিয়ার রাষ্ট্রদূত সাচে সার্জিও লরেন্টি সোলিজ ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তকে অপরিণামদর্শী ও অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করেন। বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন ও নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাববিরোধী।

এ দূত আরো বলেন, “ট্রাম্পের এ স্বীকৃতি ‘কেবলমাত্র শান্তি প্রক্রিয়ার জন্যই হুমকি নয়, এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও চরম হুমকি।’

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সরকার এ ধরনের পদক্ষেপের বিষয়ে ভোটাভুটি থেকে বিরত থেকেছেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য