artk
৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম

লেকহেড গ্রামার স্কুল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেয়ার নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৩৩১ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৪৫৫ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০১৭


লেকহেড গ্রামার স্কুল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেয়ার নির্দেশ - শিক্ষাঙ্গন

জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে বন্ধ করে দেয়া ঢাকার লেকহেড গ্রামার স্কুল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

আদেশের পর আবেদনকারীপক্ষের অন্যতম আইনজীবী রাশনা ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, “আদালত বলেছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দিতে হবে। আর সরকার যদি ওই স্কুলে জঙ্গি কার্যক্রমের কোনো অভিযোগের তদন্ত করতে চায়, তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”

জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতা, ধর্মীয় উগ্রবাদে উৎসাহ দেয়াসহ কয়েকটি অভিযোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ৭ নভেম্বর ঢাকার জেলা প্রশাসন রাজধানীর ধানমন্ডি ও গুলশানে অবস্থিত স্কুলটির দুটি শাখা বন্ধ করে দেয়।

৬ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশে স্কুলটি বন্ধের নির্দেশ দেয় সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশে প্রতিষ্ঠানটির সব কার্যক্রম বন্ধ করতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানায়।

লেকহেড গ্রামার স্কুল বন্ধের আদেশে বলা হয়েছিল, “ধর্মীয় উগ্রবাদে অনুপ্রেরণা দান, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতাসহ জাতীয় ও স্বাধীনতাবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য লেকহেড গ্রামার স্কুলের সব কার্যক্রম বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, স্কুলটির পরিচালনা পর্ষদসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ পাওয়ার পর তা তদন্ত করা হয়।

তদন্তে বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য