artk
৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে সন্দেহভাজন কর্মকর্তা বদলি

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৩০৩ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৫০৪ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০১৭


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে সন্দেহভাজন কর্মকর্তা বদলি - অর্থনীতি

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মোহাম্মদ রাহাত উদ্দিনকে বদলি করা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক আদেশে তাকে প্রধান কার্যালয়ের আইটি অপারেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে সরিয়ে মতিঝিল কার্যালয়ে দেয়া হয়।

রাহাত উদ্দিন রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সিআইডির চোখে অন্যতম সন্দেহভাজন।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও সহকারী মুখপাত্র আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, “ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তাকে বদলি করা হয়েছে।”

চলতি মাসের ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মানবসম্পদ বিভাগ-১-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. সাঈদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত আদেশে রাহাত উদ্দিনকে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে মতিঝিল অফিসের সিনিয়র সিস্টেমস অ্যানালিস্ট নাসরিন সুলতানাকে আইটি অপারেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিপার্টমেন্ট বদলির নির্দেশ দেয়া হয়।

রাহাত উদ্দিনকে বদলি করা হলেও সিআইডির তদন্তকাজে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উল্লেখ, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট সিস্টেমে ভুয়া পে-অর্ডার পাঠিয়ে নিউইয়র্ক ফেড থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি করা প্রায় ১০ কোটি ডলারের মধ্যে আট কোটি ১০ লাখ রিজল ব্যাংকের একটি শাখা হয়ে জুয়ার বাজারে চলে যায়।

ঘটনার ৪০ দিন পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে যুগ্ম পরিচালক যোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং এবং তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা করেন।

মামলাটির তদন্ত করছেন সিআইডির অ্যাডিশনাল এসপি রায়হান উদ্দিন খান। তদন্তে ২৫ সদস্যের একটি বিশেষ টিম কাজ করছে। রিজার্ভ চুরিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা জড়িত আছেন কিনা, তা বের করতে প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদসহ কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিকস ডিভাইস পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে সিআইডি। বিভিন্ন সময়ে তাদের সন্দেহের তালিকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেশ কয়েকজনের নাম এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য