artk
৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ১০:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

খালেদার বক্তব্যে আক্রোশের কোনো ব্যাপার নেই: নজরুল

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৭০৮ ঘণ্টা, সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৩০৫ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০১৭


খালেদার বক্তব্যে আক্রোশের কোনো ব্যাপার নেই: নজরুল - রাজনীতি

খালেদা জিয়ার ভাষণ শেখ হাসিনার প্রতি তার আক্রোশের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, খালেদা জিয়ার নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবিতে কারো প্রতি আক্রোশের কোনো ব্যাপার নেই। 

রোববার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আক্রোশপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন—আওয়ামী লীগের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, “শেখ হা‌সিনার ওপর নাকি খা‌লেদা জিয়ার অন্ধ আক্রোশ। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়া নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের বক্তব্য ছিল রাজ‌নৈ‌তিক। এখানে আক্রোশের কোনো ব্যাপার নেই।”নজরুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা দেখলাম, আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কা‌দের ব‌লে‌ছেন, শেখ হা‌সিনার ওপর না‌কি দেশ‌নেত্রী খা‌লেদা জিয়ার অন্ধ আক্রোশ। রাজনৈ‌তিক বক্তব্যকে রাজ‌নৈ‌তিকভা‌বে নি‌তে হয়। শেখ হা‌সিনার বিরু‌দ্ধে খা‌লেদা জিয়া ব্যক্তিগত কোনো অভিযোগ করেননি।’

সোমবার দুপু‌রে জাতীয় প্রেসক্লা‌বের স‌ম্মেলন ক‌ক্ষে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহ‌তি দিবস’ উপল‌ক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম’৭১ কেন্দ্রীয় ক‌মি‌টি এ সভার আয়োজন করে।

সংগঠনের সভাপতি ঢালী আমিনুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফউদ্দিন বকুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লিংকন, সাবেক ছাত্র নেতা আলী আক্কাস নাদিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

রোববারের জনসভায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে আপত্তির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন খালেদা জিয়া। পাশাপাশি নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন করা এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালুর উদ্যোগ বন্ধের দাবি জানান তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, “খা‌লেদা জিয়া দুটি চ্যা‌লেঞ্জ ক‌রে‌ছেন- কোনো বাধা না দি‌য়ে আপনারাও জনসভা ক‌রেন, দে‌খেন কোন জনসভায় বে‌শি মানুষ আসে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরো বলেন, “নির‌পেক্ষ সহায়ক সরকা‌রের অধী‌নে নির্বাচন দিন, সেই নির্বাচ‌নে য‌দি আওয়ামী লীগও বিজয়ী হয়, আমরা তা‌দের‌ গ্রহণ কর‌ব। কিন্তু তারা জা‌নে তা‌দের কোনো সম্ভাবনা নেই। এ জন্য তারা দলীয় সরকা‌রের অধী‌নেই নির্বাচন কর‌তে চায়। কিন্তু বিএন‌পি চায় আলোচনার মাধ্যমে শ‌া‌ন্তিপূর্ণ নির্বাচন।”

খালেদার জনসভার পর সন্ধ্যায় ওবায়দুল কাদের বলেন, “আজ খালেদা জিয়া যে ভাষণ দিয়েছেন, সেই ভাষণ শেখ হাসিনার প্রতি তার আক্রোশের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সে সময় যে সরকার থাকবে, সেই সরকার পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তা করবে।”

জাতীয় সংসদ বহাল রেখে আরেকটি নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নজরুল ইসলাম খান।


নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত