artk
১০ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৪:৪৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের আওতায় আসছে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১২২০ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ২৬ অক্টোবর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৭০৪ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ২৬ অক্টোবর ২০১৭


মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের আওতায় আসছে সব প্রাথমিক বিদ্যালয় - বিশেষ সংবাদ

শিশুদের জন্য শিক্ষাকে আনন্দময়, চিত্তাকর্ষক ও সহজবোধ্য করার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা প্রদানে দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সবগুলোকেই মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের আওতায় আনা হচ্ছে। ১২ হাজার বিদ্যালয়ে ইত্যেমধ্যেই এ কার্যক্রম চালু রয়েছে।

২০১২ সালে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী এক হাজার স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠন ও উন্নয়ন অংশীদার আইসিটি ভিত্তিক শিক্ষা প্রবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে। এরা প্রাথমিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক পাঠদানে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।

এই প্রদক্ষেপের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এবং ইউএসএইডের রিডিং ইনহ্যান্সমেন্ট ফর অ্যাডভান্সিং ডেভেলপমেন্ট (আরইএডি) প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। সেভ দ্য চিলড্রেন এর বাংলাদেশ শাখা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। সম্প্রতি এরা যৌথভাবে দিনব্যাপী শিক্ষাদান সামগ্রীর প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, “শিশুদেরকে ডিজিটাল শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে আমরা সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের আওতায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।”

তিনি আরো বলেন, “শিশুরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে তাদের পড়া খুব সহজেই বুঝতে পারে, তাই এই পদ্ধতিতে পাঠদান তাদের কাছে অনেক বেশি চিত্তাকর্ষক হবে।”

তিনি জানান, শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেন শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন পাঠদান করতে সক্ষম হন, সেই লক্ষ্যে তাদের মানোন্নয়নে দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

অবকাঠামোগত অসুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অপেক্ষাকৃত প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে ডিজিটাল ক্লাসরুম চালু করার জন্য সৌর বিদ্যুতের প্রয়োজন।”

মানসম্পন্ন পাঠদানের ক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সর্বোত্তম মাধ্যম হতে পারে উল্লেখ করে আবু হেনা বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষায় আমাদের সফলতা, বিশেষত ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থীর উপস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হচ্ছে। এখন আমরা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের ওপর জোর দিচ্ছি।”

ড. আবু হেনা বলেন, “সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তিন লাখ ৭৫ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছে। আমরা এসব শিক্ষক-শিক্ষিকাকে টিচার্স পোর্টালে তালিকাভুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত