artk
৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

রুপা হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের নতুন তারিখ ২৫ অক্টোবর

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২১০২ ঘণ্টা, বুধবার ১৮ অক্টোবর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ২১০৩ ঘণ্টা, বুধবার ১৮ অক্টোবর ২০১৭


রুপা হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের নতুন তারিখ ২৫ অক্টোবর - জাতীয়

মধুপুরে চলন্ত বাসে ঢাকার আইডিয়াল ল কলেজের শিক্ষার্থী রুপা খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ এগিয়ে এনেছেন আদালত। বিশেষ সরকারি কৌঁসুলির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আব্দুল মান্নান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

বিচারক আব্দুল মান্নান মামলার শুনানি শেষে ১৩ নভেম্বরের স্থলে তারিখ এগিয়ে এনে আগামী ২৫ অক্টোবর অভিযোগপত্র গ্রহণের নতুন তারিখ ধার্য করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) একেএম নাছিমুল আক্তার জানান, গত রোববার পুলিশ বিচারিক হাকিম আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। পরদিন সোমবার বিচারিক হাকিম আদালত থেকে বিচারিক আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটির ধার্য তারিখ ছিল ১৩ নভেম্বর। অভিযোগপত্র এসে গেছে তাই মামলার তারিখ এগিয়ে আনার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে আবেদন করা হয়।

আবেদনে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী উল্লেখ করেন, রুপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক। দ্রুত এর বিচার নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। তাই অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখ এগিয়ে আনা প্রয়োজন। বিচারক আব্দুল মান্নান শুনানি শেষে বুধবার ১৩ নভেম্বরের স্থলে তারিখ এগিয়ে এনে আগামী ২৫ অক্টোবর অভিযোগপত্র গ্রহণের নতুন তারিখ ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপা খাতুনকে চলন্ত বাসে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্ষণ করে। পরে তাকে হত্যা করে মধুপুর বন এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পুলিশ ওই রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদি হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

রুপার ভাই ২৮ আগস্ট মধুপুর থানায় এসে লাশের ছবি দেখে রুপাকে সনাক্ত করেন। পরে পুলিশ ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর (৪৫), সুপারভাইজার সফর আলী (৫৫) এবং সহকারি শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীর (১৯) কে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের কাছে তারা রুপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। ২৯ আগস্ট বাসের তিন সহকারি শামীম, আকরাম, জাহাঙ্গীর এবং ৩০ আগস্ট চালক হাবিবুর এবং সুপারভাইজার সফর আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

তারা সবাই এখন টাঙ্গাইল কারাগারে আছে। ৩১ আগস্ট রুপার লাশ উত্তোলন করে তার ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে সিরাজগঞ্জের তাঁরাশ উপজেলার নিজ গ্রাম আসানবাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়। গত ১৫ অক্টোবর পুলিশ তদন্ত শেষে উক্ত পাঁচ পরিবহন শ্রমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/আরআর/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত