artk
৮ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সোমবার ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ৬:২৬ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

বিষাক্ত রাসায়নিক খেয়ে তিনজনের মৃত্যু, অসুস্থ ৭

রাজশাহী প্রতিনিধি | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৬২৫ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১২ অক্টোবর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৮৪৮ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১২ অক্টোবর ২০১৭


বিষাক্ত রাসায়নিক খেয়ে তিনজনের মৃত্যু, অসুস্থ ৭ - জাতীয়

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে গুড় ভেবে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ খেয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও সাতজন।

বৃহস্পতিবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে দু’জন এবং এবং বিকেলে আরও একজন মারা যান।

মৃত তিনজন হলেন- গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের চব্বিশনগর ডাইংপাড়া এলাকার মৃত তোফিজুল ইসলামের ছেলে বকুল হোসেন (৩৮), ইউসুফ আলীর ছেলে তোহিজুল ইসলাম (২৫) ও সিরাজুল ইসলামের ছেলে দুলাল হোসেন (২৫)।

চিকিৎসাধীন সাতজন হলেন- একই গ্রামের বাসিন্দা জামিল উদ্দিন, পারভেজ হোসেন, খানজাহান, মিনারুল, টুলু, মোশাররফ হোসেন এবং অয়েন উদ্দিন। এরা হাসপাতালের ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, রাসায়নিক পানে গ্রামের অন্তত ১০ জন অসুস্থ হন। সবাইকে নেয়া হয় হাসপাতালে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনজন মারা যান। খবর পেয়ে সকালেই তিনি ওই গ্রামে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে একটি বোতল উদ্ধার করে তিনি পুলিশকে দেন।

গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাসায়নিকটি আসলে কি তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত রাসায়নিক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। মঙ্গলবার কারখানায় গিয়ে কর্মীরা রুটির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, কাজ শেষে ফেরার পথে বোতল ভর্তি করে ওই রাসায়নিক নিয়ে যান গ্রামে। বুধবার রাতে তা কোমলপানীয়র সঙ্গে মিশিয়ে পান করেন। এরপর থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন একে একে ১০ জন। এদের মধ্যে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতন্তের জন্য রামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এনিয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানা ও রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানায় আলাদা অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

এদিকে, এ ঘটনায় টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে রাজশাহী মহানগর পুলিশ।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) আমির জাফর জানান, কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছেন, ওই রাসায়নিক আসলে বিষাক্ত অ্যালকোহল। ড্রামে করে সেগুলো রাখা ছিল। মুলত পরিচ্ছন্নতা ও ওষুধ তৈরিতে এগুলোর ব্যবহার হয়। না জেনেই তা নিয়ে গিয়েছিলেন কর্মীরা। এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নিচ্ছে নগর পুলিশ।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমই/একিউএফ/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত