artk
৮ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সোমবার ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ৬:২৪ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

মিরপুরের মাঠ ‘বাজে’
আইসিসির চিঠির জবাব দিয়েছে বিসিবি

স্পোর্টস রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৭৫৯ ঘণ্টা, বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭


আইসিসির চিঠির জবাব দিয়েছে বিসিবি - খেলা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ শেষেই মিরপুর শেরে-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নিয়ে আইসিসির কাছে প্রতিবেদন জমা দেন ম্যাচ রেফারিরা জেফ ক্রো। প্রতিবেদনে মাঠের উইকেট ও আউটফিল্ড নিয়ে ‘বাজে’ বলে মন্তব্য করেন ঢাকা টেস্টের এই সম্যাচ রেফারি। সেই প্রতিবেদন পেয়েই মিরপুর স্টেডিয়ামকে বাজে বলে মন্তব্য করে বিসিবিকে চিঠি পাঠায় আইসিসি।

চিঠি পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় বিসিবিকে। সেই ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করবেন আইসিসির মহাব্যবস্থাপক (ক্রিকেট) জিওফ অ্যালারডাইস ও এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি সে চিঠির জবাব দিয়েছে।

বুধবার দুপুরে মিরপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকতা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন।

মিরপুরের আউটফিল্ড নিয়ে আইসিসির চিঠির প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকতা নিজাদ উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন,“এটা নিয়মিত একটা ব্যাপার। কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ শেষ হলে ম্যাচ রেফারি কর্তৃক আইসিসিতে একটা প্রতিবেদন দেয়ার বিধান আছে। সেখানে আউটফিল্ড বা পিচের প্রতিবেদনে যদি খেলার পর আসে, তাহলে আয়োজক দেশের একটা ব্যাখ্যা দেয়ার ব্যাপার থাকে। আমরা আইসিসির রিপোর্ট পেয়েছি। তারা শেরে বাংলার আউটফিল্ডকে (বাজে) বলে আখ্যায়িত করেছে। আমরা ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে আইসিসিকে একটা রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছি।”

মিরপুরের মাঠ সংস্কারের পর কেন বাজে হল এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,“ গত চার পাঁচ মাসে বাংলাদেশে যে বন্যা পরিস্থিতি ও বৃষ্টি, তাতে সময় মতো মাঠটা প্রস্তুত করা একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি। আমরা মনে করি, আমাদের গ্রাউন্ডস কমিটি খুব কষ্ট করে কাজ করেছে। বৈরি আবহাওয়াটা না থাকলে, এই অবস্থা হতো না।”

এছাড়া বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেন,“২০০৫ সালে আইসিসির অ্যাক্রিডেটশন পাওয়ার পর শেরে বাংলা নিয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। এই মাঠে আইসিসির কয়েকটি বড় আয়োজন এখানে হয়েছে। ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল এখানে হয়েছে। পরপর তিনটি এশিয়া কাপ আমরা এখানেই আয়োজন করেছি। মাঠের যে প্রিপারেশনে কোনো ঘাটতি ছিল, তা মনে করি না। বৈরি আবহাওয়ার কারণে এটা হয়েছে। ওরা কিন্তু শুধু মাত্র ঘাসের কারণে অভিযোগ করেছে। অন্যান্য দিক ঠিক আছে। এখন সময়ের সাথে সাথে এটা ভালো হয়ে যাবে।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসএস/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত