artk
৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম

চট্টগ্রামে মাজারের টাকা লুট: অভিযুক্ত র‌্যাব সদস্যরা

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৮১৭ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ২২৪৬ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭


চট্টগ্রামে মাজারের টাকা লুট: অভিযুক্ত র‌্যাব সদস্যরা - কোর্ট-কাচারি

চট্টগ্রামের আনোয়ারার তালসরা দরবার শরিফ থেকে কোটি টাকা লুটের অভিযোগে করা ডাকাতি মামলায় র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের সাবেক অধিনায়ক (বরখাস্ত) লে. কর্নেল জুলফিকার আলী মজুমদারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হলো।

মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চম অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ নুরে আলম শুনানি শেষে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, র‍্যাব-৭-এর তৎকালীন সদস্য ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (বাধ্যতামূলক ছুটিতে) শেখ মাহমুদুল হাসান, র‍্যাবের উপসহকারী পরিচালক আবুল বশর, উপপরিদর্শক (এসআই) তরুণ কুমার বসু, র‍্যাবের সোর্স দিদারুল আলম, মানব বড়ুয়া ও আনোয়ার মিয়া।

২০১১ সালের ৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের আনোয়ারার তালসরা দরবার শরিফ থেকে ২ কোটি ৭ হাজার টাকা লুট করার অভিযোগ ওঠে র‍্যাবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ‘দরবারের দুই কোটি টাকা লুট’ শিরোনামে ২০১২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর একই বছরের ১৩ মার্চ র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাবেক অধিনায়ক (বরখাস্ত) লে. কর্নেল জুলফিকার আলী মজুমদারসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানায় ডাকাতির মামলা করেন দরবার শরিফের গাড়িচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস।

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল জুলফিকার আলীকে সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এর আগে তাকে র‍্যাব চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে সেনাবাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল। চাকরিচ্যুত হওয়ার পর আত্মগোপন করেন তিনি। একই বছরের ৩ মে ঢাকার রমনা থানা এলাকায় এক বন্ধুর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আনোয়ারা থানার পুলিশ। তিনি এখন এই মামলায় জামিনে আছেন।

আদালত সূত্র জানায়, জুলফিকার আলীসহ সাতজনকে আসামি করে ২০১২ সালের ২৮ জুলাই আনোয়ারা থানার পরিদর্শক আবদুস সালাম চট্টগ্রাম বিচারিক হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১২ সালের নভেম্বরে আসামিরা হাই কোর্ট থেকে এ মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ নেন। গত বছরের আগস্ট মাসে উচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়ার পর মামলাটি আবার সচল হয়।

চট্টগ্রাম জেলা সরকারি কৌঁসুলি একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, জুলফিকার আলীসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। আদালত আগামী ২৩ অক্টোবর সাক্ষ্য শুরুর পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন। এর আগে মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতির আবেদন করেন তাদের আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে বিরোধিতা করে বলা হয়, আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত। পরে অভিযোগ গঠনের পর আসামিদের পড়ে শোনান আদালত। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসডি/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত