artk
২ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, শনিবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭, ৩:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম

হাসিনা-মোদি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন: হাইকমিশনার

নিউজ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৩০১ ঘণ্টা, শনিবার ১২ আগস্ট ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৩০৮ ঘণ্টা, শনিবার ১২ আগস্ট ২০১৭


হাসিনা-মোদি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন: হাইকমিশনার - জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঢাকা-দিল্লি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মুয়াজ্জেম আলী একথা বলেন।

গত এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, “অত্যন্ত সফল ওই সফরকালে দুদেশের মধ্যে ১১টি চুক্তি ও ২৪টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে নিরাপত্তা, বাণিজ্য, কানেক্টিভিটি, জ্বালানি, বেসামরিক পরমাণু চুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং নতুন বাস ও ট্রেন সার্ভিস চালুসহ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সকল ক্ষেত্র পরিবেষ্টন করা হয়েছে।”

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে বিশেষ উল্লেখ করে মুয়াজ্জেম আলী বলেন, “প্রতিরক্ষা খাতে পাঁচশ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসহ নতুন পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ভারতীয় ঋণ বাংলাদেশ কাজে লাগাবে।”

হাইকমিশনার বলেন, “নয়াদিল্লির একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা করছেন এবং তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের মানসিকতায় পরিবর্তন এনেছেন।”

মুয়াজ্জেম আলী বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে তার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ২০১৫ সালের জুন মাসে তার ঢাকা সফরকালে আমাদের সম্পর্ক একটি নতুন মাত্রায় পৌঁছে।”

তিনি আরো বলেন, “১৯৪৭ সালে দেশভাগের ৬৮ বছর পর এবং ১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের ৪১ বছর পর দুদেশের মধ্যকার স্থল সীমান্ত চুক্তি (এলবিএ) অনুমোদন ও কার্যকর হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেখিয়েছেন দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা কিভাবে আলোচনা, সহানুভূতি ও মতামত গঠনের মাধ্যমে সমাধান করা যায় “

নিরাপত্তা সহযোগিতা, জ্বালানি, ব্যবসা-বাণিজ্য, কানেক্টিভিটি এবং জনগণ পর্যায়ে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে উল্লেখ করেন হাইকশিমনার। সূত্র বাসস।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত