artk
৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০১৭, ২:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম

হিরোশিমায় হামলার দিনে কোথায় ছিলেন আইনস্টাইন?

ফিচার ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৯২০ ঘণ্টা, রোববার ০৬ আগস্ট ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৯২৫ ঘণ্টা, রোববার ০৬ আগস্ট ২০১৭


হিরোশিমায় হামলার দিনে কোথায় ছিলেন আইনস্টাইন? - ফিচার

পরমাণু বোমার সঙ্গে আইনস্টাইনের কোনো সম্পর্ক আছে কী? হয়তো অনেকেই উত্তরে সোজা ‘না’ বলে দেবেন। কিন্তু না। অন্তত জাপানের হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু বোমা ফেলে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তার সঙ্গে আইনস্টাইনের এক ধরনের সম্পর্ক আছে। তার কারণেই যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু বোমা তৈরিতে লেগে যায় তড়িঘড়ি করে।

তিনি চেয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রও পরমাণু বোমা তৈরি করুক। যেহেতু হিটলারের জার্মানি তা বানানোর তোড়জোড় শুরু করেছে। কিন্তু নিরীহ মানুষের ওপর সেটা ফেলা হোক, তা চাননি।

তিনিই যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের কাছে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন পরমাণু বোমা তৈরির বিষয়টি। তিনি চিঠি না লিখলে হয়তো মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের মাথায় পরমাণু বোমা বানানোর চিন্তাটাই আসতো না। তড়িঘড়ি শুরু করে দিতেন না ‘ম্যানহাটন প্রোজেক্ট’-এর কাজ। তবে আইনস্টাইন ওই প্রজেক্টে কখনও যাননি।

রোনাল্ড ক্লারিকের লেখা সদ্য প্রকাশিত গবেষণাধর্মী বই ‘আইনস্টাইন: দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস’ এই তথ্য দিয়েছে।

জার্মানি ছেড়ে ১৯৩০ সালেই যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান জার্মান ইহুদি বিজ্ঞানী আইনস্টাইন। থাকতে শুরু করেন লং আইল্যান্ডে। তার ৯ বছরের মাথায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে একটি চিঠি লেখেন আইনস্টাইন। সেই চিঠিতেই আইনস্টাইন লেখেন, তার কাছে খবর আছে, জার্মানি পরমাণু বোমা বানানোর তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। এর পরেই নড়েচড়ে বসেন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট। আইনস্টাইন তখন কাজ করতেন মার্কিন নৌবাহিনীতে। প্রচলিত বিস্ফোরক বানানোর প্রকল্পে তিনি ছিলেন রিসার্চ কনসালট্যান্ট।

তবে যে দিন ওই পরমাণু বোমা ফেলা হল হিরোশিমায়, সে দিন তিনি মনের আনন্দে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। নৌকাবিহার করছিলেন লোয়ার সারানাক লেকে। তিনি জানতেন না কিছুই। রেডিওতে খবর শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলার সময় ১৯৪৫ সালের ৬ আর ৯ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পর পর দু’টি পরমাণু বোমা ফেলে আমেরিকা। পৃথিবীর ইতিহাসে সেই প্রথম আর সেই শেষ পরমাণু বোমা পড়ার ঘটনা। এতে মারা যায় দেড় লাখের বেশি মানুষ। প্রতিবন্ধী হয়ে যান আরও কয়েক লাখ মানুষ। লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হন বংশগত রোগে। তার কয়েক দিনের ম‌ধ্যেই শেষ হয়ে যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত