artk
৮ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রোববার ২৩ জুলাই ২০১৭, ৬:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

সিরাজগঞ্জে ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ হবে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৬৫৬ ঘণ্টা, সোমবার ১৭ জুলাই ২০১৭


সিরাজগঞ্জে ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ হবে - জাতীয়

সিরাজগঞ্জে নদীর ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় সিমলা থেকে খুদবান্দি পর্যন্ত এলাকায় সাড়ে ৪শ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার।

একনেক মিটিংয়ে প্রকল্পটি পাস হওয়ায় পর এ বছরই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদরের বাহুকায় নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধের ভেঙে যাওয়া রিং বাঁধ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, “বন্যায় নদী এলাকার আশপাশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায় এবং নিরাপত্তায় থাকতে পারে, সরকার সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর যারা নদীতীরে এবং বাঁধের অভ্যন্তরে বসবাস করে বন্যার সময় তাদের কিছুটা সমস্যা সইতে হবে। পাশাপাশি ভাঙনকৃত রিং বাঁধ ও তৎসংলগ্ন পুরাতন নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধও আরও শক্তিশালী করা হবে।”

আর বাঁধ নির্মাণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) যদি কোনো গাফিলতি থাকে সেটি বিভাগীয়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন-পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীরপ্রতীক, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোসাদ্দেক হোসেন, রাজশাহী জোনের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, বগুড়ার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বাবুল শিং, সিরাজগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক আবু ইউসুফ সূর্য্য, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ ও সিরাজগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম।

গত ৩ দিন চেষ্টার পর বাহুকা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ রিং বাঁধের ভাঙা অংশ সংস্কার করে রোববার সন্ধ্যায় পানি প্রবাহ বন্ধ করেছে পাউবো ও সেনাবাহিনী। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাঁধটির ২০ মিটার এলাকা যমুনার পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে মুহূর্তের মধ্যেই তা লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে। এরপর রাত ২টা থেকে পাউবো এবং সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের ৪৫ সদস্যের একটি টিম ভাঙন স্থানে বাঁশের পাইলিং, বালিভর্তি জিওব্যাগ ও পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করে ভাঙন স্থান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

পাউবোর গাফিলতির কারণেই বাঁধে ভাঙন দেখা দেয় বলে অভিযোগ করছে প্লাবিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীরা। বাঁধ ভাঙার কারণে আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করায় ১০ হাজার মানুষ, রাস্তাঘাট, স্কুল, মাদরাসা, বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/আরডি/এসজে/এমএস

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত