artk
৬ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

টুঁটি চেপে ধরার কথা অস্বীকার করলেন আলভেস

স্পোর্টস ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১১৪২ ঘণ্টা, সোমবার ১৭ জুলাই ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১১৪৫ ঘণ্টা, সোমবার ১৭ জুলাই ২০১৭


টুঁটি চেপে ধরার কথা অস্বীকার করলেন আলভেস - খেলা

খবরটা গত চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালের হাফ টাইমের সময়কার।

ইউরোপের কিছু কিছু গণমাধ্যম জুভেন্টাসের ক্রোয়েশিয়ান স্ট্রাইকার মারিও মানজুকিচকে উদ্ধৃত করে দাবি করেছিল, ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের হাতে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে ড্রেসিং রুমে ঝামেলা হয়েছিল দুই জুভ ফুটবলার দানি আলভেস ও লিওনার্দো বনুচ্চির। ইতালিয়ান ডিফেন্ডার নাকি এক পর্যায়ে আলভেসের টুঁটিও চেপে ধরেছিলেন! তবে বিষয়টিকে উড়িয়ে দিলেন সাবেক বার্সা ফুটবলার।

অতীত খুঁড়ে জানা যায়- মানজুকিচ নাকি গণমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ফাইনালের মাঝ বিরতিতে লিও (বনুচ্চি) দানির (আলভেস) দিকে এগিয়ে গিয়ে বলেছিল সে যদি গান বন্ধ না করে তাহলে সে তার পা ভেঙে দেবে। এরপর দু জনের মধ্যে ঝামেলা বেধে যায়। আলভেস তখন বনুচ্চিকে বলেন যদি সে ফাইনালে হারেও তারপরও তার কাছে তিনটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মেডেল থাকবে, বিপরীতে বনুচ্চির ভাগাড় শুন্য।”

মানজুকিচ আরও জানিয়েছিলেন, “বনুচ্চি তখন আলভেসের টুঁটি চেপে ধরতে উদ্যত হয়। এই অবস্থায় দুজনকে নিবৃত্ত করতে আসরে হাজির হন ম্যাসিমিলানো অ্যালেগ্রি। দুজনকে আলাদা করে দেওয়ার পর তিনি জোরে জোরে বলতে থাকেন ঝামেলা যে-ই বাধাক না কেন মৌসুম শেষে দুজনকেই বিক্রি করে দেওয়া হবে।”

যদিও পরবর্তীতে বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন সাবেক বায়ার্ন মিউনিখ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ তারকা। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে মানজুকিচ লিখেন, “আলভেস ও বনুচ্চিকে নিয়ে আমি কখনোই ওমন কথা বলিনি। যারা আমাকে চেনেন, তারা জানেন আমি কখনোই মানুষের পিছনে গিয়ে কথা বলার লোক না। যদি কিছু বলতেই হত তাহলে মুখোমুখি তা বলে দিতাম। আপনারা চিন্তিত হবেন না, সেগুলো কখনোই আমার কথা ছিল না।”

এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন আলভেসও। ব্রাজিলের কিংবদন্তি এ ফুটবলারের দাবি, “কোনও কিছু না জেনে কখনোই কথা বলতে যাবেন না। বনুচ্চি ও আমার মধ্যে ঝগড়ার যে খবর বের হয়েছিল তা পুরোপুরি মিথ্যা।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য