artk
৬ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, শনিবার ২১ অক্টোবর ২০১৭, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা

ইস্ট ওয়েস্ট সংবাদদাতা | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ০৯৫৯ ঘণ্টা, রোববার ১৮ জুন ২০১৭


চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা - শিক্ষাঙ্গন

এডিস মশা বাহিত চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে লক্ষ্যে শনিবার রাজধানী শহরের ৯২টি পয়েন্টে তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক সচেতনতা আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এসময় চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে একটি স্বাস্থ্য বার্তা লিফলেট বিতরণ করেন শিক্ষার্থীরা। চিকুনগুনিয়া জ্বরের বাহক এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করতে এবং এ রোগ নিয়ে জনসচেতনতা তৈরি করতে তারা সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত এ প্রচারণা চালান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর লেকের আশেপাশে এডিস মশা নিধনে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তিনি বলেন, “যে যার অবস্থান থেকে নিজের বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখলে এবং কোথাও পানি জমতে না দিলে চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। শুধু চিকুনগুনিয়া নয়, সব রোগ প্রতিরোধেই সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

১৯৫২ সালে প্রথম তানজানিয়াতে এই ভাইরাস জ্বর দেখা দেয়। তবে বাংলাদেশে প্রথম ২০০৮ সালের দিকে চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত রোগীর দেখা মেলে। চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ দিকে হঠাৎ করেই এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আর মে মাসে এসে তা মহামারী আকার ধারণ করে।

প্রচারণা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, “ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক এডিস মশার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া হয়ে থাকে। চিকনগুনিয়ার বড় লক্ষণ অস্থি সন্ধিতে তীব্র ব্যথা। এছাড়া মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব ও শরীর প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে যায়। জ্বর চলে যাওয়ার পরও এ শারীরিক দুর্বলতা ও অস্থি সন্ধিতে ব্যথা থাকতে পারে। স্বাভাবিকভাবে এই ব্যথা ৫-৭ দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। অনেক সময় তা ২১ দিন থেকে ৩ মাস বা তারও বেশি সময় ধরে থাকতে পারে।”

ইস্ট ওয়েস্ট মেডিক্যাল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মনির মণ্ডল বলেন, “আমরা ১০টি টিমে প্রায় ৪০ জন কাজ করেছি। প্রথমে চিকুনগুনিয়া নিয়ে আলোচনা সভা করা হয়। এরপর লিফলেট বিতরণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত হয়। সর্বশেষে এর প্রতিরোধ পরিকল্পনা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেয়া হয়।”

সচেতনতামূলক কর্মসূচিটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে সিডিসি, আইইডিসিআর এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহায়তায় ঢাকা শহরের সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ম্যাটস, নার্সিং ইনস্টিটিউট, নিপসম ও বিভিন্ন পোস্ট গ্রাজুয়েট ইনস্টিটিউটের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে এই সামাজিক আন্দোলনটি চালানো হয়।

 

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত