artk
১৩ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ২৮ জুলাই ২০১৭, ১২:৪২ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ফেসবুক লাইভ থেকে তরুণী গ্রেপ্তার

বিদেশ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২০৫১ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১৮ মে ২০১৭


ফেসবুক লাইভ থেকে তরুণী গ্রেপ্তার - বিদেশ

এবার ফেসবুক লাইভ থেকে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশ তাকে খুঁজছিল। কিন্তু ধরা যাচ্ছিল না। অবশেষে ফেসবুক লাইভে এসে নিজেই ফাঁদে পা দিয়েছেন। তিনি এখন আইনের হাতে বন্দি।

২১ বছরের ওই তরুণীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেলিংয়ের অভিযোগ আছে।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই শিখা তিওয়ারি নামে ওই তরুণীকে চোখে চোখে রাখছিল ভারতের রাজস্থানের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি)। ওই তরুণীর পেশায় ডিস্ক জকি (ডিজে)। তবে এটাই শিখার আসল পরিচয় নয়। বরং পুলিশের দাবি, শিখা আসলে একটি মধুচক্রের সদস্য। বিত্তশালীদের ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল করাই তার আসল ‘পেশা’।

গত বছরে জয়পুরের এক চিকিৎসককে ঠকিয়ে তার কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা নিয়ে চম্পট দেন তিনি। টাকা নিয়ে মুম্বাইয়ে এসে ওঠেন তিনি। সেখানেই ডিজে হিসাবে কাজ শুরু করেন। সম্প্রতি ফেসবুকে তার লাইভ অনুষ্ঠানের সূত্র ধরেই পুলিশের জালে ধরা পড়লেন শিখা।

রাজস্থানের এসওজির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত বছর একটি মধুচক্রের খোঁজ পান তারা। তাতেই উঠে আসে শিখার নাম। মূলত চিকিৎসক বা রিয়েল এস্টেট এজেন্টরাই ছিলেন তার শিকার। ডিসেম্বর থেকেই শিখাকে ধরতে তৎপর ছিলেন তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করতে চেয়ে গত বছর সুনিত সোনি নামে জয়পুরের এক চিকিৎকের সঙ্গে দেখা করেন শিখা। সেখান থেকেই সুনিতের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন তিনি। পরে মিথ্যা ধর্ষণের মামলায় সুনিতকে ফাঁসিয়ে দেবেন, এই হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে ২ কোটি টাকা দাবি করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তার বিরুদ্ধে গত ২৪ ডিসেম্বর পুলিশে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন শিখা।

সেই মামলায় ৭৮ দিন জেলেও কাটাতে হয় সুনিতকে। তবে শেষমেশ ছাড়া পেলেও শিখার হাত থেকে মুক্তি পেতে টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দুই দফায় তিনি শিখাকে দেড় কোটি টাকা দেন। সেই টাকা নিয়েই মুম্বাইয়ে পালিয়ে যান শিখা।

পুলিশের দাবি, শিখার মতোই মিথ্যা ধর্ষণের মামলা সাজিয়ে বহু লোককে ব্ল্যাকমেল করতেন ওই মধুচক্রের সদস্যরা।

নিউজবাংলাদেশ.কম

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য