artk
৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০১৭, ৩:১১ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

পাঠ্যবইয়ের ভুলের সংশোধনী দিয়েছে এনসিটিবি

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২০০৪ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১৮ মে ২০১৭


পাঠ্যবইয়ের ভুলের সংশোধনী দিয়েছে এনসিটিবি - জাতীয়

পাঠ্যবইয়ে থাকা ভুল বানান ও তথ্যের সংশোধনী দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সাড়ে পাঁচ মাস পরে আলোর মুখ দেখা এ সংশোধনী শুধুমাত্র প্রাথমিক স্তরেই সীমাবদ্ধ। সেখানে পাঁচটি বইয়ের ছয়টি ভুল ঠিক করা হয়েছে। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বৃহস্পতিবার এনসিটিবি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, প্রাথমিকের বইয়ের শুধু মৌলিক ভুলের সংশোধনী দিয়েছেন তারা, মাধ্যমিকের বইয়ে মৌলিক কোনো ভুল পাওয়া যায়নি। আর প্রাথমিকের বইয়ে ছাগলের গাছে উঠে আম খাওয়ার চিত্র এবং ওড়না নিয়ে যে বিতর্ক উঠেছে তা আগামী শিক্ষাবর্ষে পরিমার্জন করা হবে।

এনসিটিবির সদস্য রতন সিদ্দিকী জানান, সংশ্লিষ্ট সবাইকেই সংশোধনীপত্র দেয়া হচ্ছে। তা অনুসরণ করতে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

যেসব সংশোধনী দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো-

প্রথম শ্রেণির আমার বাংলা বইয়ের ৫৩ পৃষ্ঠায় ‘মৌ’ সংশোধন করে ‘মউ’ করা হয়েছে।

তৃতীয় শ্রেণির আমার বাংলা বইয়ের ৬৮ পৃষ্ঠায় কুসুমকুমারী দাশের ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতাটির পুরো সংশোধন।

তৃতীয় শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ৫৮ পৃষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর মা ‘সায়েরা বেগম’ এর নাম সংশোধন করে ‘সায়েরা খাতুন’ করা হয়েছে।

তৃতীয় শ্রেণির ইংরেজি ভার্সনের হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বইয়ের পেছনের কভারে ‘Heart’ এর স্থলে ‘Hurt’ করা হয়েছে।

পঞ্চম শ্রেণির আমার বাংলা বইয়ের তৃতীয় পৃষ্ঠায় ‘সমুদ’ বানান সংশোধন করে ‘সমুদ্র’ দেয়া হয়েছে।

পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ‘ঘোষনা’ সংশোধন করে ‘ঘোষণা’ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর নতুন পাঠ্যবই বিতরণের পর বানান ভুলসহ প্রগতিশীল লেখকদের গল্প-কবিতা বাদ দেয়ার অভিযোগ উঠে। বলা হয়, পাঠ্যবইয়ের কোনো কোনো লেখায় সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটেছে। এনিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন আট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়। সেই সঙ্গে একটি কমিটি বিভিন্ন ভুল খুঁজে বের করে সংশোধিত আকারে সুপারিশ দেয়। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিরে শুদ্ধিপত্র তৈরি করা হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/একিউএফ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত